অপরাধ দমনে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’টি সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

- আপডেট সময় : ০৪:২৫:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / 2
অপরাধ দমনে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দু’টি সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিকেলে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সভা শেষে ব্রিফিংকালে এমনটা জানান তিনি।
বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভা শেষে ব্রিফিংকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নোয়াখালী পাড়া ও রোঙ্গিখালীর দুই পাহাড়ে অপহরণের ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। সেখানে রামুর ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে দু’টি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে। এর ফলে এ জাতীয় অপরাধ নির্মূল হবে।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে নষ্ট হয়ে যাওয়া কাঁটাতার পুনর্নির্মাণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, সোলার লাইটের মাধ্যমে লাইটিং করা হবে। সেই সঙ্গে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা হবে এবং কিছুদূর পরপর সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে ইসিবির নেতৃত্বে সড়ক নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে। সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে, যেন জঙ্গল সলিমপুরের মৌজাগুলোতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা হয়।
সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য থেকে জঙ্গল সলিমপুরকে মুক্ত করে সুশাসনের মধ্যে নিয়ে আসা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে সারদার মতো পুলিশ একাডেমি করা হবে, এজন্য জমি দেখা হচ্ছে। চট্টগ্রামের কেন্দ্রীয় কারাগারের জন্য সেখানে ৭২ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, বায়েজিদ লিংক রোডের পাশে স্থানান্তর করা হবে। এ ছাড়া জঙ্গল সলিমপুরে যারা অবৈধভাবে বসতি স্থাপন করেছেন, তাদের পুনর্বাসন নিয়েও কাজ চলছে।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহায়তায় এবং জাতিসংঘের নেতৃত্বে রোহিঙ্গা প্রত্যাবর্তন অবশ্যই সম্ভব, প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে। তবে ইতোমধ্যে অনেক সময় অতিবাহিত হয়েছে, সমস্যা অনেক গভীর হয়েছে। আশা করি, এই সমস্যা থেকে শিগগিরই মুক্তি পাবো।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, অবশ্যই জনআস্থা অর্জন করেছি, তবে কতটুকু অর্জন করতে পেরেছি— সেটি জনগণ বিচার করবে। জনআস্থা বহাল রাখাটাই আমাদের কাজ, আরও বেশি জনআস্থা অর্জন করা আমাদের চ্যালেঞ্জ।





















