ঢাকা ১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশেষ সতর্কীকরণ নোটিশ ::
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে। এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

মাশহাদে চিরশায়িত খামেনি, জনসমুদ্রে ট্রাম্পবিরোধী স্লোগান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • / 1

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তাঁর জন্মশহর মাশহাদে দাফন করা হয়েছে। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে শোকের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষোভকারীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ মাশহাদে নেওয়া হয়। সেখানে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারসংলগ্ন এলাকায় তাঁকে দাফন করা হয়।

জীবদ্দশায় এখানেই দাফনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। দাফনের আগে অনুষ্ঠিত জানাজা ও শোকমিছিলে লাখো মানুষ অংশ নেন।

অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা ও খামেনির ছবি। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এবং ট্রাম্পবিরোধী স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে।
বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ট্রাম্পকে হত্যার হুমকিসূচক স্লোগানও দেয়।
এর আগে খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হলে সেখানেও বিপুলসংখ্যক মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। গত কয়েক দিন ধরে ইরান ও ইরাকজুড়ে তাঁকে ঘিরে শোকানুষ্ঠান, জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি চলছিল।

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় শেষকৃত্য ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে দেশজুড়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই খামেনির দাফন সম্পন্ন হলো। সূত্র: রয়টার্স

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মাশহাদে চিরশায়িত খামেনি, জনসমুদ্রে ট্রাম্পবিরোধী স্লোগান

আপডেট সময় : ১১:৫৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে তাঁর জন্মশহর মাশহাদে দাফন করা হয়েছে। লাখো মানুষের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত শেষকৃত্যে শোকের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিক্ষোভকারীরা।

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ মাশহাদে নেওয়া হয়। সেখানে ইমাম রেজা (আ.)-এর মাজারসংলগ্ন এলাকায় তাঁকে দাফন করা হয়।

জীবদ্দশায় এখানেই দাফনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। দাফনের আগে অনুষ্ঠিত জানাজা ও শোকমিছিলে লাখো মানুষ অংশ নেন।

অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা ও খামেনির ছবি। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এবং ট্রাম্পবিরোধী স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর হয়ে ওঠে।
বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ ট্রাম্পকে হত্যার হুমকিসূচক স্লোগানও দেয়।
এর আগে খামেনির মরদেহ ইরাকের নাজাফ ও কারবালায় নেওয়া হলে সেখানেও বিপুলসংখ্যক মানুষ শেষ শ্রদ্ধা জানান। গত কয়েক দিন ধরে ইরান ও ইরাকজুড়ে তাঁকে ঘিরে শোকানুষ্ঠান, জানাজা ও শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি চলছিল।

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় শেষকৃত্য ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সাম্প্রতিক পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে দেশজুড়ে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই খামেনির দাফন সম্পন্ন হলো। সূত্র: রয়টার্স