ব্রাজিলের ফুটবল ধ্বংসে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন পেলে-কন্যা
- আপডেট সময় : ১১:২৬:২৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬
- / 24
২০০২ সালের পর নেই শিরোপা। গত ছয় বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ অর্জন স্রেফ সেমি-ফাইনাল খেলা। এবার ছাড়িয়ে গেছে আগের সব ব্যর্থতা। দীর্ঘ ৩৬ বছর পর শেষ ষোলো থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। ফুটবল বিশ্বকাপে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের এমন পরিণতি মানতে পারছেন না পেলে-কন্যা কেলি নসিমেন্ত।
পেশায় সক্রিয়তাবাদী চলচ্চিত্র নির্মাতা পেলের বড় কন্যার মতে, ধ্বংস হয়ে গেছে ব্রাজিলের ফুটবল। যার পেছনে রয়েছে দুর্নীতি। নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ার পর রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন কেলি।
“ব্রাজিলিয়ান ফুটবল ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। কারণটা দুর্নীতি হোক বা অন্য কিছু- এটি এমন এক বদ্ধ, আত্মকেন্দ্রিক ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে, যেখানে বাইরের কেউ ভেতরে কী হচ্ছে তা দেখতে পারে না। সবাই জানে কেন এটি ঠিকমতো কাজ করছে না, কিন্তু ঠিক করার ক্ষমতা কারও নেই।”
কেলি নসিমেন্তর মতে, প্রকৃতিপ্রদত্ত উপহার হিসেবে নিয়মিত উঁচুমানের ফুটবলার পেয়ে যাচ্ছে ব্রাজিল। তবু আন্তর্জাতিক মঞ্চে গিয়ে তাদের ভোগার কারণ মূলত অত্যন্ত জটিল কাঠামোগত সমস্যারই বড় লক্ষণ।
২০০২ সালের ফাইনালে জার্মানিকে হারিয়ে নিজেদের পঞ্চম ট্রফি জেতার পর থেকেই আর বড় সাফল্য নেই ব্রাজিলের ফুটবলে। প্রতি বছর উচ্চাশা নিয়ে অংশ নিলেও, কখনও সেমি-ফাইনাল বা কখনও কোয়ার্টার-ফাইনালে শেষ হয়ে যায় তাদের দৌড়।
গত পাঁচ বিশ্বকাপের হতাশা আরও বাড়িয়ে এবার নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে শেষ ষোলোতে থেমে গেছে সেলেসাওরা। কেলি বলেছেন, তার প্রয়াত বাবা অর্থাৎ ব্রাজিল কিংবদন্তি পেলে আগেই এসব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
এসব থেকে উত্তরণের পথ হিসেবে ফ্রান্সের মতো দেশের উদাহরণ টেনেছেন পেলে-কন্যা। তার মতে, আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভালো করার জন্য কার্যকর কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে ফ্রান্স। যে কারণে গত দুই বিশ্বকাপেই ফাইনাল খেলেছে তারা।
তবে হতাশার মাঝে একটি আশাব্যঞ্জক দিক তুলে ধরেছেন কেলি। তার মতে, রিও ডি জেনেইরোভিত্তিক ক্লাব বোতাফোগোর পুনর্জাগরণের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ী জন টেক্সটর যেভাবে পরিকল্পনা সাজিয়েছেন, সেটি হতে পারে উদাহরণ।
“তিনি (টেক্সটর) যেভাবে বিষয়টি সামলাচ্ছেন, তা নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে। প্রতিটি বিষয়েরই ভালো-মন্দ দুই দিক থাকে। তিনি যে বিষয়টি নিয়ে এসেছেন, তা হলো স্বচ্ছতা। এছাড়া তিনি একটি বিদেশি সংস্থার কাছেও জবাবদিহির মধ্যে আছেন। আমার কাছে এটি ইতিবাচক দিক- তাকে নিয়ে যত সমালোচনাই হোক না কেন।”

























Iranian Embassy in Turkey: NATO’s claims on Iran’s nuclear program and the Strait of Hormuz are baseless