‘সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে, তবে স্বাধীনতা মানেই স্বেচ্ছাচারিতা নয়’
- আপডেট সময় : ০৩:২৩:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 7
বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে থাকলেও সেই স্বাধীনতার অর্থ কোনোভাবেই ‘স্বেচ্ছাচারিতা’ নয় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ (সালেহ শিবলী)। তিনি বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সীমা কতোটুকু হবে, তা নির্ধারণের দায়িত্ব সরকার কিংবা জনগণের নয়; এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার এখতিয়ার কেবল আদালতের।
এসময়, গুজব, গুঞ্জন ও অপতথ্য বাদ দিয়ে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে গণমাধ্যমকর্মীদের অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নিয়মিত আয়োজন মিট দ্য রিপোর্টার্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।City & Local Guides
প্রেস সচিব আরও বলেন, যিনি একটি সংবাদপত্র বা গণমাধ্যমের মালিকানায় যিনি থাকেন, তার কর্মীদের বেতন ভাতা দিয়ে পরিচালনা করার সক্ষমতা আছে কিনা সেটা খতিয়ে দেখা জরুরি। এ সময়, অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টালগুলোর ভুল তথ্য থেকে জনগণকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাংবাদিকদের স্বার্থ বুঝে নিতে হলে নিজেদেরই সোচ্চার হতে হবে বলে মন্তব্য করেন সালেহ শিবলী। এ সময় তিনি বলেন, গণমাধ্যমের নীতিমালা থাকা প্রয়োজন।
বিরোধীদলের কর্মসূচি নিয়ে সালেহ শিবলী বলেন, দাবি আদায়ে বিরোধীদলের কর্মসূচি থাকবে, তবে জনগণ কোনটা গ্রহণ করবে সেটা তারা নিজেরাই বিবেচনা করবে।
তিনি বলেন, দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি ঝুঁকির দিকে রয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতার মাধ্যমে ঝুঁকি মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী বলেন, বর্তমান সরকার গঠনের আগের পাঁচ বছর সঠিকভাবে টিকা না দেয়ায় হামে শিশুদের মৃত্যু বেশি হয়েছে।
আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে সালেহ শিবলী বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহ্যগত ধারাবাহিকতা রক্ষা করে এবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর এই অংশগ্রহণ শুধু দেশের জন্য নয়, বরং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটেও এক বড়ো গৌরবের বিষয়।
দেশের অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রেস সচিব জানান, বিগত দিনের ভঙ্গুর প্রশাসনিক কাঠামো এবং চলমান বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ পরিস্থিতিকে সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলা করে বর্তমান সরকার দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সব ধরনের অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ঝুঁকি কাটিয়ে বাংলাদেশ এখন বিদেশি বিনিয়োগের জন্য একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।




















মক্কা প্রতিরক্ষা জোটে নতুন দেশ যুক্ত হতে পারে: পাকিস্তানের সেনাবাহিনী