ঢাকা ০২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৩২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর সাব্বির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির বলেন, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড করে র‍্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। তারা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায়, এবং তাদেরকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।

একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিতে মেরে নদীতে ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে৷ বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

বিডিআর হত্যার ৪ প্রত্যক্ষদর্শীকে গুলি করে পেট চিরে বস্তায় বেঁধে নদীতে ফেলেন জিয়াউল

আপডেট সময় : ০১:৩২:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ ৪ জনকে বলেশ্বর নদীতে নিয়ে চোখ বেঁধে, গুলি করে, পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে পানিতে ফেলা দেয়া হয় বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর সাব্বির।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ গুমের মামলায় এ সাক্ষ্য দেন প্রত্যক্ষদর্শী মেজর সাব্বির বলেন, ২০১০ সালের মে মাসে র‍্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড করে র‍্যাব ৮ এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা। তারা পাথরঘাটার চরদুয়ানির বলেশ্বর নদীতে ফ্রিশিং ট্রলারে মুখ ও পুরো শরীর ঢেকে ৪ জনকে নিয়ে যায়, এবং তাদেরকে নৃশংসভাবে মেরে ফেলে।

একই কায়দায় ২০১০ সালে আরেক ব্যক্তিতে মেরে নদীতে ফেলা হয় বলেও সাক্ষ্য দেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা। এই সাক্ষী জানান, ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের গলফ অপারেশনে জড়িত ট্রলার মাঝিদের মধ্যে একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যা করা হয়।

গুমের মামলায় এখন পর্যন্ত জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভুইয়া, হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী সেনা ও র‍্যাবের কর্মকর্তা সাক্ষ্য দেন। এরপর এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেয়া হবে। পরে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন হবে৷ বিগত ১৬ বছরে এটিই প্রথম গুমের মামলা যার বিচার শেষ পর্যায়ে রয়েছে।