ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের আস্থার জায়গায় নিতে চাই : আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 28

কারাগার থেকে আদালতে আসামি হাজিরের বিষয়টি ডিজিটাল করতে পারলে যুগান্তকারী পরিবর্তন হবে। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আমরা বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের আস্থার জায়গায় নিতে চাই।

‎বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেই পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও জনগণের আস্থার জায়গায় নিতে চাই।’

সারা দেশে ৪৬ লাখ মামলা চলমান উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব মামলা নিষ্পত্তি করা ২৩ শত জজের জন্য খবুই কষ্টকর। এরমধ্যে অনেকে জুডিশিয়াল কর্মকর্তা ঠিকমতো কাজ করে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছে। এসব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেন, তাদের জন্য আরও আয়েশের ব্যবস্থা করবে মন্ত্রণালয়।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সাইবার এক্ট আইনটি যাতে আরও বেশি জনসম্পৃক্ত হয়, তাই বিভিন্ন অংশীজনদের মতামত নেয়া হচ্ছে। এছাড়া সংবিধান সংশোধন করতে জুলাই যোদ্ধা, নিহতদের পরিবারের সদস্য, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সব অংশীজনদের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের আস্থার জায়গায় নিতে চাই : আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:১৭:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

কারাগার থেকে আদালতে আসামি হাজিরের বিষয়টি ডিজিটাল করতে পারলে যুগান্তকারী পরিবর্তন হবে। বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, আমরা বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের আস্থার জায়গায় নিতে চাই।

‎বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতেই পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘বিচার ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও জনগণের আস্থার জায়গায় নিতে চাই।’

সারা দেশে ৪৬ লাখ মামলা চলমান উল্লেখ করে তিনি জানান, এসব মামলা নিষ্পত্তি করা ২৩ শত জজের জন্য খবুই কষ্টকর। এরমধ্যে অনেকে জুডিশিয়াল কর্মকর্তা ঠিকমতো কাজ করে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছে। এসব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে হুঁশিয়ারি দেন, তাদের জন্য আরও আয়েশের ব্যবস্থা করবে মন্ত্রণালয়।

আইনমন্ত্রী আরও জানান, সাইবার এক্ট আইনটি যাতে আরও বেশি জনসম্পৃক্ত হয়, তাই বিভিন্ন অংশীজনদের মতামত নেয়া হচ্ছে। এছাড়া সংবিধান সংশোধন করতে জুলাই যোদ্ধা, নিহতদের পরিবারের সদস্য, আইনজীবী, সাংবাদিকসহ সব অংশীজনদের মতামত নিয়ে সংবিধান সংশোধন করা হবে।