ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশেষ সতর্কীকরণ নোটিশ ::
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে। এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

চিকিৎসাবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 46

মানবশরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণার জন্য এ বছর চিকিৎসাবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মেরি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি। বাংলাদেশ সময় আজ (সোমবার, ৬ অক্টোবর) বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শরীরতত্ত্বে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য’ যৌথভাবে তিনজনকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

দ্য নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, মানবদেহে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত থাকতে হয়। তা না হলে এটি অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করতে পারে। মেরি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি এ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছেন। যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শরীরের ক্ষতি করা থেকে বিরত রাখে।

মন্ত্রিসভা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ করলেন ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী

তাদের এ আবিষ্কার এক নতুন গবেষণা ক্ষেত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং ক্যানসার ও অটোইমিউন রোগের মতো অসুখের নতুন চিকিৎসা উদ্ভাবনের পথ খুলে দিয়েছে।

এদের মধ্যে মেরি ই ব্রুনকো ও ফ্রেড র‍্যামসডেল যুক্তরাষ্ট্রের এবং শিমন সাকাগুচি জাপানের নাগরিক।

গত বছর এ বিভাগে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকুন। তাদের পুরস্কার দেয়া হয়েছিল মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার ও জিন নিয়ন্ত্রণে ট্রান্সক্রিপশন পরবর্তী ভূমিকা বিষয়ক গবেষণার জন্য।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

চিকিৎসাবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পেলেন ৩ বিজ্ঞানী

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

মানবশরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণার জন্য এ বছর চিকিৎসাবিদ্যায় যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মেরি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচি। বাংলাদেশ সময় আজ (সোমবার, ৬ অক্টোবর) বিকেলে সুইডেনের স্টকহোমে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শরীরতত্ত্বে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, ‘পেরিফেরাল ইমিউন টলারেন্স সম্পর্কিত আবিষ্কারের জন্য’ যৌথভাবে তিনজনকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছে।

দ্য নোবেল প্রাইজের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, মানবদেহে শক্তিশালী রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা অবশ্যই নিয়ন্ত্রিত থাকতে হয়। তা না হলে এটি অন্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গকে আক্রমণ করতে পারে। মেরি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি এ ক্ষেত্রে যুগান্তকারী আবিষ্কার করেছেন। যা রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শরীরের ক্ষতি করা থেকে বিরত রাখে।

মন্ত্রিসভা প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা পর পদত্যাগ করলেন ফ্রান্সের নতুন প্রধানমন্ত্রী

তাদের এ আবিষ্কার এক নতুন গবেষণা ক্ষেত্রের ভিত্তি স্থাপন করেছে এবং ক্যানসার ও অটোইমিউন রোগের মতো অসুখের নতুন চিকিৎসা উদ্ভাবনের পথ খুলে দিয়েছে।

এদের মধ্যে মেরি ই ব্রুনকো ও ফ্রেড র‍্যামসডেল যুক্তরাষ্ট্রের এবং শিমন সাকাগুচি জাপানের নাগরিক।

গত বছর এ বিভাগে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কার পান যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানী ভিক্টর অ্যামব্রোস ও গ্যারি রাভকুন। তাদের পুরস্কার দেয়া হয়েছিল মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার ও জিন নিয়ন্ত্রণে ট্রান্সক্রিপশন পরবর্তী ভূমিকা বিষয়ক গবেষণার জন্য।