ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, রোববার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 151
181

সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে গেলেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দেশের তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এদিকে ২৬তম নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরী রোববার (২৮ ডিসেম্বর) শপথ গ্রহণ করবেন।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। তখনকার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের পর ১০ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। নিয়োগ লাভের পর এক বছর সাড়ে চার মাস দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

‘জুলাই যোদ্ধা’ না থাকায় পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন না তারেক রহমান

১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী সনদ লাভের পর ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দেশের উচ্চ আদালতের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র বিচারক, যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে সরাসরি প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়ে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইনে এলএলএম ডিগ্রিও নেন।

তিনি ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অবসরে গেলেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ

আপডেট সময় : ১২:৪৭:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
181

সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় অবসরে গেলেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) দেশের তিনি অবসর গ্রহণ করেন। এদিকে ২৬তম নতুন প্রধান বিচারপতি হিসেবে জুবায়ের রহমান চৌধুরী রোববার (২৮ ডিসেম্বর) শপথ গ্রহণ করবেন।

গণঅভ্যুত্থানের মুখে গত বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। তখনকার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের পদত্যাগের পর ১০ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। নিয়োগ লাভের পর এক বছর সাড়ে চার মাস দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

‘জুলাই যোদ্ধা’ না থাকায় পঙ্গু হাসপাতালে যাবেন না তারেক রহমান

১৯৫৮ সালের ২৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী সনদ লাভের পর ১৯৮৪ সালে জেলা আদালতে, ১৯৮৬ সালে হাইকোর্টে এবং ২০০২ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি। ২০০৩ সালের ২৭ এপ্রিল হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ২০০৫ সালের ২৭ এপ্রিল তিনি হাইকোর্টে স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান। দেশের উচ্চ আদালতের ইতিহাসে তিনিই একমাত্র বিচারক, যিনি হাইকোর্টের বিচারপতি হিসেবে সরাসরি প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়ে দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়ে দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্য থেকে আন্তর্জাতিক আইনে এলএলএম ডিগ্রিও নেন।

তিনি ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।