ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাব্বির-মামুনদের ব্যাটে শান্তদের হারাল ঢাকা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 133
147

ম্যাচ শুরুর আগেই সহকারী কোচ মাহবুব আলি জাকির অসুস্থতার খবর পায় ঢাকা ক্যাপিটালস। ম্যাচ চলাকালে তারা পায় মৃত্যুর সংবাদ। সেই শোককে যেন মাঠে শক্তিতে পরিণত করলেন সাব্বির রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারীরা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকা। ১৩৩ রানের লক্ষ্য ৭ বল বাকি থাকতেই ছুঁয়ে ফেলে রাজধানীর দলটি। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে হারিয়েছিল রাজশাহী। দ্বিতীয় ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেল তারা।

রান তাড়ায় শুরুতেই অবশ্য সাইফ হাসানের (৪ বলে ১) উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা। আরেক ওপেনার উসমান খানও (১৫ বলে ১৮) তেমন কিছু করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেটে ঢাকা করে ৪৩ রান।

তিন নম্বরে নেমে দায়িত্ব নেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে কিছু পথ এগিয়ে নেন মামুন। মিঠুন ফেরেন অল্পেই। পরে মামুনও ৩৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হলে চাপে পড়ে ঢাকা।

নাসির হোসেন ১৯ রান করতে খেলে ফেলেন ২২ বল। ফলে এক পর্যায়ে ২৫ বলে ৩৫ রানের।

‘চিন্তামুক্ত ক্রিকেট’ চট্টগ্রামের জয়ের বড় কারণ

সেখান থেকে আর রাজশাহীকে সুযোগ দেননি সাব্বির ও শামীম। দুজনের ১৮ বলে ৩৬ রানের জুটিতে অনায়াসেই জেতে ঢাকা। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১০ বলে ২১ রান করেন সাব্বির। শামীমের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ১৭ রান।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহানের উইকেট হারায় রাজশাহী। ইমাদের বলে দারুণ স্টাম্পিং করেন মোহাম্মদ মিঠুন। আগের দিন হতাশ করা তানজিদ হাসান তামিম এবার করেন ১৫ বলে ২০ রান।

এরপর আর সে অর্থে জুটি গড়তে পারেনি শান্তর নেতৃত্বাধীন দলটি। তিন নম্বরে নেমে তবু চেষ্টা করেন শান্ত। আগের দিন সেঞ্চুরি করা বাঁহাতি ব্যাটার এদিন খেলেন ২টি করে চার-ছক্কায় ২৮ বলে ৩৭ রানের ইনিংস। এটিই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ।

এছাড়া ২৪ রান করতে ২৩ বল খেলেন মুশফিক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ২৬ বলে ২৬ রান করেন সাত নম্বরে নামা মোহাম্মদ নাওয়াজ।

ঢাকার পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন পাকিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। এছাড়া নাসির হোসেনের ঝুলিতে যায় ২ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২০ ওভারে ১৩২/৮ (সাহিবজাদা ০, তামিম ২০, শান্ত ৩৭, ইয়াসির ১৩, মুশফিক ২৪, মেহেরব ০, নাওয়াজ ২৬*, সাকলাইন ৫, সাকিব ৩, লামিচানে ০*; ইমাদ ৪-০-১৬-৩, সালমান ৪-০-১৭-১, নাসির ৪-০-৩২-২, জিয়াউর ৪-০-৩৫-১, সাইফ উদ্দিন ৪-০-৩০-১)

ঢাকা ক্যাপিটালস: ১৮.৫ ওভারে ১৩৪/৫ (সাইফ ১, উসমান ১৮, মামুন ৪৫, ,মিঠুন ১২, নাসির ১৯, শামীম ১৭*, সাব্বির ২১*; বিনুরা ৩.৫-০-২২-০, সাকিব ৪-০-৩৬-১, সাকলাইন ৩-০-২০-০, নাওয়াজ ৪-০-২১-৩, লামিচানে ৪-০-৩৫-১)

ফল: ঢাকা ক্যাপিটালস ৫ উইকেটে জয়ী

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সাব্বির-মামুনদের ব্যাটে শান্তদের হারাল ঢাকা

আপডেট সময় : ১০:৩৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
147

ম্যাচ শুরুর আগেই সহকারী কোচ মাহবুব আলি জাকির অসুস্থতার খবর পায় ঢাকা ক্যাপিটালস। ম্যাচ চলাকালে তারা পায় মৃত্যুর সংবাদ। সেই শোককে যেন মাঠে শক্তিতে পরিণত করলেন সাব্বির রহমান, শামীম হোসেন পাটোয়ারীরা।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে ঢাকা। ১৩৩ রানের লক্ষ্য ৭ বল বাকি থাকতেই ছুঁয়ে ফেলে রাজধানীর দলটি। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে সিলেট টাইটান্সকে হারিয়েছিল রাজশাহী। দ্বিতীয় ম্যাচেই বড় ধাক্কা খেল তারা।

রান তাড়ায় শুরুতেই অবশ্য সাইফ হাসানের (৪ বলে ১) উইকেট হারিয়ে ফেলে ঢাকা। আরেক ওপেনার উসমান খানও (১৫ বলে ১৮) তেমন কিছু করতে পারেননি। পাওয়ার প্লেতে ২ উইকেটে ঢাকা করে ৪৩ রান।

তিন নম্বরে নেমে দায়িত্ব নেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলকে কিছু পথ এগিয়ে নেন মামুন। মিঠুন ফেরেন অল্পেই। পরে মামুনও ৩৯ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলে আউট হলে চাপে পড়ে ঢাকা।

নাসির হোসেন ১৯ রান করতে খেলে ফেলেন ২২ বল। ফলে এক পর্যায়ে ২৫ বলে ৩৫ রানের।

‘চিন্তামুক্ত ক্রিকেট’ চট্টগ্রামের জয়ের বড় কারণ

সেখান থেকে আর রাজশাহীকে সুযোগ দেননি সাব্বির ও শামীম। দুজনের ১৮ বলে ৩৬ রানের জুটিতে অনায়াসেই জেতে ঢাকা। ১ চার ও ২ ছক্কায় ১০ বলে ২১ রান করেন সাব্বির। শামীমের ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ১৭ রান।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই সাহিবজাদা ফারহানের উইকেট হারায় রাজশাহী। ইমাদের বলে দারুণ স্টাম্পিং করেন মোহাম্মদ মিঠুন। আগের দিন হতাশ করা তানজিদ হাসান তামিম এবার করেন ১৫ বলে ২০ রান।

এরপর আর সে অর্থে জুটি গড়তে পারেনি শান্তর নেতৃত্বাধীন দলটি। তিন নম্বরে নেমে তবু চেষ্টা করেন শান্ত। আগের দিন সেঞ্চুরি করা বাঁহাতি ব্যাটার এদিন খেলেন ২টি করে চার-ছক্কায় ২৮ বলে ৩৭ রানের ইনিংস। এটিই দলের পক্ষে সর্বোচ্চ।

এছাড়া ২৪ রান করতে ২৩ বল খেলেন মুশফিক। শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ২৬ বলে ২৬ রান করেন সাত নম্বরে নামা মোহাম্মদ নাওয়াজ।

ঢাকার পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ১৬ রান খরচ করে ৩ উইকেট নেন পাকিস্তানের বাঁহাতি স্পিনার ইমাদ ওয়াসিম। এছাড়া নাসির হোসেনের ঝুলিতে যায় ২ উইকেট।

সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স: ২০ ওভারে ১৩২/৮ (সাহিবজাদা ০, তামিম ২০, শান্ত ৩৭, ইয়াসির ১৩, মুশফিক ২৪, মেহেরব ০, নাওয়াজ ২৬*, সাকলাইন ৫, সাকিব ৩, লামিচানে ০*; ইমাদ ৪-০-১৬-৩, সালমান ৪-০-১৭-১, নাসির ৪-০-৩২-২, জিয়াউর ৪-০-৩৫-১, সাইফ উদ্দিন ৪-০-৩০-১)

ঢাকা ক্যাপিটালস: ১৮.৫ ওভারে ১৩৪/৫ (সাইফ ১, উসমান ১৮, মামুন ৪৫, ,মিঠুন ১২, নাসির ১৯, শামীম ১৭*, সাব্বির ২১*; বিনুরা ৩.৫-০-২২-০, সাকিব ৪-০-৩৬-১, সাকলাইন ৩-০-২০-০, নাওয়াজ ৪-০-২১-৩, লামিচানে ৪-০-৩৫-১)

ফল: ঢাকা ক্যাপিটালস ৫ উইকেটে জয়ী