ঢাকা ০২:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিশেষ সতর্কীকরণ নোটিশ ::
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করেছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও গণমাধ্যমকর্মীদের দেশের বিভিন্ন নদ-নদীর বন্যা পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসসংক্রান্ত তথ্য সরবরাহ করা হবে। এ জন্য ০১৩১৮২৩৪৯৬২, ০১৩১৮২৩৪৯৬৩, ০১৩২১১৩৯৫৪২ ও ০১৭০৯৬৫৪৭৯১ মোবাইল নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে। এছাড়া ffwcbwdb@gmail.com এবং ffwc05@yahoo.com ই-মেইলেও তথ্য পাওয়া যাবে।

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষে বাজেট হবে না, জনগণের কল্যাণে হবে: অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 63

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার বাজেট আর হবে না। বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে, জনগণ যেন সুবিধা পায় আগামীতে সেই বাজেটই হবে। দায়িত্ব নেয়ার পর আজ প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা চট্টগ্রাম গিয়ে এ মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ (শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে নিজবাড়িতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী আজ বেলা ১১ টায় তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তাকে বরণ করে নিতে বিমান বন্দরে আগ থেকেই ভিড় করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেখানে তারা অর্থমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার চট্টগ্রাম আগমনে অর্থমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে কাট্টলিতে পৈতৃক ভিটায় যান তিনি। সেখানে প্রতিবেশীরা তাকে বরণ করে নেন। পরে গণমাধ্যমে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন, ‘কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধন।’ অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত আমলে ঋণ নেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই ঋণ কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে বিশাল একটি ঋণের বোঝা এই সরকারের ওপর আছে।’

সড়কে চাঁদাবাজির সুযোগ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

এসময় শেয়ার বাজার অবস্থা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘শেয়ার বাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে, এতে আস্থা ফিরবে শেয়ার বাজারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।’

কর্মসংস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার আছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পক্ষে বাজেট হবে না, জনগণের কল্যাণে হবে: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৪:১৪:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে খুশি করার বাজেট আর হবে না। বাজেট হবে জনগণের কল্যাণে, জনগণ যেন সুবিধা পায় আগামীতে সেই বাজেটই হবে। দায়িত্ব নেয়ার পর আজ প্রথমবার নিজ নির্বাচনি এলাকা চট্টগ্রাম গিয়ে এ মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

আজ (শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি) চট্টগ্রামে নিজবাড়িতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

অর্থমন্ত্রী আজ বেলা ১১ টায় তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তাকে বরণ করে নিতে বিমান বন্দরে আগ থেকেই ভিড় করেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। সেখানে তারা অর্থমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার চট্টগ্রাম আগমনে অর্থমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে কাট্টলিতে পৈতৃক ভিটায় যান তিনি। সেখানে প্রতিবেশীরা তাকে বরণ করে নেন। পরে গণমাধ্যমে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী।

এসময় তিনি বলেন, ‘কোনো পৃষ্ঠপোষকতার রাজনীতি আর চলবে না। বাজেট হবে জনবান্ধন।’ অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিগত আমলে ঋণ নেয়া হয়েছে। কিন্তু সেই ঋণ কোনো ভালো প্রজেক্টে ব্যয় হয়নি। ফলে বিশাল একটি ঋণের বোঝা এই সরকারের ওপর আছে।’

সড়কে চাঁদাবাজির সুযোগ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

এসময় শেয়ার বাজার অবস্থা নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘শেয়ার বাজার নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা আছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে, এতে আস্থা ফিরবে শেয়ার বাজারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।’

কর্মসংস্থান নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো কর্মসংস্থান। কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হলে উৎপাদন ও বিনিয়োগ বাড়াতে হবে।’

দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। নির্বাচিত সংসদ ও সরকার আছে। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খা পূরণে সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।’

বেলা আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত নগরের মেহেদিবাগে নিজ বাসভবনে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশল বিনিময় করবেন। বিকেল তিনটায় চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য বন্দর সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন। রাত ৮টা ২৫ মিনিটে তিনি শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।