ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবিলম্বে ইরানে যুদ্ধবিরতির আহ্বান খেলাফত মজলিসের

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৭:১২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 81

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় দলের আমির মামুনুল হক ও মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, ইরানের সার্বভৌম ভূখণ্ডে এ সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ওপর নগ্ন আক্রমণ এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশ্ব রাজনীতিতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্যবাদী মনোভাব আবারও উন্মোচিত হয়েছে। শক্তির জোরে অন্য রাষ্ট্রের ওপর আগ্রাসন চালানো আধুনিক সভ্যতার জন্য লজ্জাজনক এবং বিশ্বশান্তির জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

কাতার প্রবাসীদের বিশেষ সতর্কতার আহ্বান বাংলাদেশ দূতাবাসের

তারা বলেন, আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতিকে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে একতরফা শক্তির ভারসাম্য তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পক্ষপাতদুষ্ট নীতি অঞ্চলটিকে ক্রমাগত যুদ্ধ, অস্থিরতা ও মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইরানে আজকের হামলা সেই ধারাবাহিক সাম্রাজ্যবাদী নীতিরই বহিঃপ্রকাশ।

তারা আরো বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের সার্বভৌমত্বে হামলা শুধু একটি দেশের বিরুদ্ধে নয়; এটি সমগ্র মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর আঘাত। এ আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যার দায়ভার আগ্রাসী শক্তিকেই বহন করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো, বিশেষ করে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর নীরবতা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি। একইসঙ্গে জাতিসংঘকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অবিলম্বে ইরানে যুদ্ধবিরতির আহ্বান খেলাফত মজলিসের

আপডেট সময় : ০৭:১২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, ক্ষোভ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এক বার্তায় দলের আমির মামুনুল হক ও মহাসচিব জালালুদ্দিন আহমদ বলেন, ইরানের সার্বভৌম ভূখণ্ডে এ সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন, জাতিসংঘ সনদ ও রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার নীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের ওপর নগ্ন আক্রমণ এবং বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশ্ব রাজনীতিতে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আধিপত্যবাদী মনোভাব আবারও উন্মোচিত হয়েছে। শক্তির জোরে অন্য রাষ্ট্রের ওপর আগ্রাসন চালানো আধুনিক সভ্যতার জন্য লজ্জাজনক এবং বিশ্বশান্তির জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।

কাতার প্রবাসীদের বিশেষ সতর্কতার আহ্বান বাংলাদেশ দূতাবাসের

তারা বলেন, আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের আগ্রাসী নীতিকে রাজনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামরিক সহায়তা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে একতরফা শক্তির ভারসাম্য তৈরি করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই পক্ষপাতদুষ্ট নীতি অঞ্চলটিকে ক্রমাগত যুদ্ধ, অস্থিরতা ও মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। ইরানে আজকের হামলা সেই ধারাবাহিক সাম্রাজ্যবাদী নীতিরই বহিঃপ্রকাশ।

তারা আরো বলেন, একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে ইরানের সার্বভৌমত্বে হামলা শুধু একটি দেশের বিরুদ্ধে নয়; এটি সমগ্র মুসলিম বিশ্বের নিরাপত্তা ও মর্যাদার ওপর আঘাত। এ আগ্রাসন অব্যাহত থাকলে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যার দায়ভার আগ্রাসী শক্তিকেই বহন করতে হবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রগুলো, বিশেষ করে ওআইসি সদস্য দেশগুলোর নীরবতা গভীরভাবে উদ্বেগজনক। মুসলিম উম্মাহর স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ এখন সময়ের অপরিহার্য দাবি। একইসঙ্গে জাতিসংঘকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করা এবং আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।