যুক্তরাষ্ট্রে বিশ্বকাপ খেলতে অনিচ্ছুক ইরান
- আপডেট সময় : ০২:১৮:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
- / 60
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। নিজেদের ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের বদলে মেক্সিকোয় আয়োজনের দাবি জানিয়েছে ইরান। এ নিয়ে ইতিমধ্যে ফিফার সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে দেশটির ফুটবল ফেডারেশন।
ইরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কারণেই তারা যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে খেলতে আগ্রহী নয়। মঙ্গলবার মেক্সিকোয় অবস্থিত ইরানের দূতাবাসও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ইরানের ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে তাদের। ‘যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আমাদের দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারেন বলে জানান, তাহলে আমরা সেখানে ভ্রমণ করব না,’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় এমনটাই মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে জানান, ইরানের ম্যাচগুলো মেক্সিকোয় আয়োজনের বিষয়ে ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে।
ফুটবলকে বিদায় সেই আর্জেন্টাইন প্রাচীরের
বিশ্বকাপের ‘জি’ গ্রুপে ইরানের প্রতিপক্ষ হিসেবে রয়েছে নিউ জিল্যান্ড, মিশর ও বেলজিয়াম। সূচি অনুযায়ী, লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করার কথা ইরানের। একই ভেন্যুতে বেলজিয়ামের বিপক্ষেও খেলার কথা রয়েছে তাদের। আর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচটি সিয়াটলে মিশরের বিপক্ষে হওয়ার কথা।
সংবাদ সংস্থা এএফপির তথ্যমতে, টুর্নামেন্ট চলাকালে ইরানের বেস ক্যাম্প হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে অ্যারিজোনার টাকসন শহর।
এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ নিতে ইরানকে স্বাগত জানানো হবে, তবে নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থেই তাদের যুক্তরাষ্ট্রে না যাওয়াই ভালো। তার এ মন্তব্যের পরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায় ইরান। দেশটি স্পষ্ট করে দেয়, কোনোভাবেই তাদের জাতীয় দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো অবশ্য আশ্বস্ত করেছিলেন, বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব দলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের অবস্থান কিছুটা অনিশ্চয়তার দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের সামরিক উত্তেজনা তীব্র আকার ধারণ করে। এর জেরে মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও নাজুক হয়ে ওঠে, যার প্রভাব পড়েছে এখন ক্রীড়াঙ্গনেও।


























আমি যতদিন প্রধানমন্ত্রী, ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হবে না: নেতানিয়াহু