জিম্মি মুক্তির আলোচনার মধ্যেই স্কুলে বোমা হামলা, নিহত ৫০

- আপডেট সময় : ০৮:১৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ নভেম্বর ২০২৩
- / 231
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা শহরের একটি স্কুলে কামানের গোলা বর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। গতকাল শুক্রবারের এ হামলায় অন্তত ৫০জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার আল শিফা হাসপাতালের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
আল-শিফা হাসপাতালের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া এএফপিকে বলেন, ‘শুক্রবার সকালে গাজার আল-নাসর পাড়ায় আল-বুরাক স্কুলে ইসরায়েলি বাহিনী কামান থেকে গোলা বর্ষণ করেছে। এ ছাড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। হামলার পর স্কুলের ভেতর থেকে ৫০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
গাজার সব প্রায় স্কুলই এখন ফিলিস্তিনি উদ্বাস্তুদের আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। নিহতদের মধ্যে কোনো শিক্ষার্থী আছে কি না, তা জানা যায়নি। এএফপি জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যাও তারা তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করতে পারেনি।
এদিকে মার্কিন গণমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, জিম্মিদের মুক্তি নিয়ে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে আলোচনা করছে ইসরায়েল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসরায়েলি কর্মকর্তারা নিউইয়র্ক টাইমসকে বলেন, একটি প্রস্তাবে সাময়িক যুদ্ধবিরতিক বিনিময়ে ১০ থেকে ২০ জন বেসামরিক জিম্মিকে মুক্তি দেওয়ার কথা জানিয়েছে হামাস। প্রথম শর্ত পূরণ হলে পরে প্রায় ১০০ বেসামরিক জিম্মিকে ছেড়ে দেবে বলে জানিয়েছে হামাস।
জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার শর্ত হিসেবে, হামাস সামরিক যুদ্ধবিরতির দাবি করেছে। সেই সঙ্গে গাজায় আরও মানবিক সহায়তা, হাসপাতালের জন্য জ্বালানি ও ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি নারী ও শিশুর মুক্তির দাবিও করেছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠীটি।
এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ফিলিস্তিনি বন্দিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যকার এ আলোচনার মধ্যস্থতা করছে কাতার ও যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।
গত ৭ অক্টোবর গাজার স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের আক্রমণে ইসরায়েলের ১ হাজার ৪০০ জনেরও বেশি নিহত হয়। এ ছাড়া হামাস জিম্মি করেছে অন্তত ২৪০ জন। এ হামলার পরপরই গাজায় পাল্টা হামলা চালায় ইসরায়েল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত ১০ হাজার ৮০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের বেশির ভাগই শিশু।
























