ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘সেতুভবন-বিটিভি-মেট্রোরেলে আগুন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা’

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 62

শেখ হাসিনা নিজেই সেতুভবন, বিটিভি ও মেট্রোরেলে আগুন দিতে নির্দেশ দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর দায় চাপান বলে ট্রাইব্যুনালক জানিয়েছে প্রসিকিউশন। সেতু ভবন পোড়ানোর পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন, পোড়াইতে বলছি কী, আর আগুন দিছে কই! বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এ কথা বলে প্রসিকিউশন।

আজ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন মামলার স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং অফিসার। এই মামলার ৫১তম সাক্ষী তিনি। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে এই সাক্ষ্যগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ছাড়া কোনো বিকল্প নেই: রাশিয়া

এই মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ৫৩তম সাক্ষী হিসেবে তিনি সাক্ষ্য দেন। জোহা তার সাক্ষ্যে জুলাই আন্দোলন চলাকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে তখন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এস এম মাকসুদ কামাল ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর কথোপকথন আদালতে উপস্থাপন করেন। এ সব কথোপকথনে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের সরাসরি লেথাল উইপন দিয়ে হত্যা করার নির্দেশ দিতে শোনা যায়।

এর আগে, গতকাল সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয় সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের কর্মরত সাহেদ জুবায়ের লরেন্সের। জব্দ করা অডিও ক্লিপে শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনুর কণ্ঠের সত্যতা নিশ্চিত করেন তিনি।

পরে আরেক সাক্ষী ডিএমপির ওয়্যারলেস অপারেটর কামরুল হাসান বলেন, গত বছর ১৭ জুলাই ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান আন্দোলন দমনে ডিএমপি অধিভুক্ত সকল পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ ও গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিকেলে সিজার লিস্ট থেকে আরেক সাক্ষী মামলাটির জব্দ তালিকা তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘সেতুভবন-বিটিভি-মেট্রোরেলে আগুন দিতে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাসিনা’

আপডেট সময় : ০৪:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

শেখ হাসিনা নিজেই সেতুভবন, বিটিভি ও মেট্রোরেলে আগুন দিতে নির্দেশ দিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর দায় চাপান বলে ট্রাইব্যুনালক জানিয়েছে প্রসিকিউশন। সেতু ভবন পোড়ানোর পর শেখ হাসিনা বলেছিলেন, পোড়াইতে বলছি কী, আর আগুন দিছে কই! বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণের সময় এ কথা বলে প্রসিকিউশন।

আজ ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন মামলার স্পেশাল ইনভেস্টিগেটিং অফিসার। এই মামলার ৫১তম সাক্ষী তিনি। বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে এই সাক্ষ্যগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

ইউক্রেনে হামলা চালিয়ে যাওয়ার ছাড়া কোনো বিকল্প নেই: রাশিয়া

এই মামলায় গ্রেপ্তার থাকা একমাত্র আসামি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনের উপস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ ৫৩তম সাক্ষী হিসেবে তিনি সাক্ষ্য দেন। জোহা তার সাক্ষ্যে জুলাই আন্দোলন চলাকালে শেখ হাসিনার সঙ্গে তখন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এস এম মাকসুদ কামাল ও জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনুর কথোপকথন আদালতে উপস্থাপন করেন। এ সব কথোপকথনে শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের সরাসরি লেথাল উইপন দিয়ে হত্যা করার নির্দেশ দিতে শোনা যায়।

এর আগে, গতকাল সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয় সিআইডির ফরেনসিক বিভাগের কর্মরত সাহেদ জুবায়ের লরেন্সের। জব্দ করা অডিও ক্লিপে শেখ হাসিনা ও হাসানুল হক ইনুর কণ্ঠের সত্যতা নিশ্চিত করেন তিনি।

পরে আরেক সাক্ষী ডিএমপির ওয়্যারলেস অপারেটর কামরুল হাসান বলেন, গত বছর ১৭ জুলাই ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান আন্দোলন দমনে ডিএমপি অধিভুক্ত সকল পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ ও গুলির নির্দেশ দিয়েছিলেন। বিকেলে সিজার লিস্ট থেকে আরেক সাক্ষী মামলাটির জব্দ তালিকা তুলে ধরেন।