ঢাকা ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতকে লজ্জার রেকর্ডে ডুবিয়ে হোয়াইটওয়াশ করল দ. আফ্রিকা

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 47

ঘরের মাঠে আরও একবার বিব্রতকর পরাজয়ের তেতো স্বাদ পেল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের মাত্র ১৪০ রানে অলআউট করে ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। একইসঙ্গে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করল সফরকারীরা।

ভারতের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে রানের ব্যবধানে এটিই সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাগপুর টেস্টে ৩৪২ রানে হেরেছিল তারা। প্রায় ২১ বছর পর সেটি ছাপিয়ে চারশর বেশি রানে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা।

গুয়াহাটিতে ম্যাচের শেষ দিন পরাজয় এড়াতে ৮ উইকেট হাতে রেখে পুরো ৯০ ওভার খেলতে হতো ভারতের। কিন্তু ৪৮ ওভারের বেশি টিকতে পারেনি তারা। বাকি থাকা ৮ উইকেট হারিয়ে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ১১৩ রান।

এই জয়ের ভারতের মাঠে ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাল দক্ষিণ আফ্রিকা। এই সিরিজের আগে সবশেষ ২০০০ সালের ভারতের মাঠে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল তারা। আর নিজেদের মাঠে সবশেষ তিন সিরিজের মধ্যে দুটিই হেরে বসল ভারত।

ভারতকে গুঁড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে মার্করামের বিশ্ব রেকর্ড

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেনুরান মুত্থুসামির সেঞ্চুরিতে ৪৮৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে মার্কো ইয়ানসেনের শর্ট বলের তোপে মাত্র ২০১ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬০ রানে ব্যাটিং ছেড়ে দেয় প্রোটিয়ারা।

ভারতের সামনে দাঁড়ায় ৫৪৯ রানের অসম্ভব এক লক্ষ্য। যা করার জন্য তাদের হাতে ছিল ১০৮ ওভার। কিন্তু চতুর্থ দিন শেষ বিকেলে ১৫.৫ ওভারের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শেষ দিনে তাই অসাধ্যই সাধন করতে হতো স্বাগতিকদের।

সাইমন হার্মারের ঘূর্ণিতে তা আর করতে পারেনি ভারত। ২৩ ওভারে মাত্র ৩৭ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন হার্মার। এছাড়া কেশব মহারাজের শিকার ২ উইকেট।

ভারতের পক্ষে লড়াই করা রবীন্দ্র জাদেজা খেলেন ৮৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস। সাই সুদর্শন লম্বা সময় উইকেটে থেকে ১৩৯ বলে করেন ১৪ রান।

দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ৯টি ক্যাচ নিয়েছেন এইডেন মার্করাম। টেস্ট ক্রিকেটে নন উইকেটকিপারদের মধ্যে এটিই ম্যাচে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে ৪ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার এটি তৃতীয় জয়। ৬৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে তারা। আর ৯ ম্যাচে ৪ জয়ে ৫৪.১৭ শতাংশ পয়েন্ট পেয়ে চার নম্বরে ভারত।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারতকে লজ্জার রেকর্ডে ডুবিয়ে হোয়াইটওয়াশ করল দ. আফ্রিকা

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

ঘরের মাঠে আরও একবার বিব্রতকর পরাজয়ের তেতো স্বাদ পেল ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের মাত্র ১৪০ রানে অলআউট করে ৪০৮ রানের বিশাল ব্যবধানে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা। একইসঙ্গে স্বাগতিকদের হোয়াইটওয়াশ করল সফরকারীরা।

ভারতের টেস্ট ক্রিকেট ইতিহাসে রানের ব্যবধানে এটিই সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে নাগপুর টেস্টে ৩৪২ রানে হেরেছিল তারা। প্রায় ২১ বছর পর সেটি ছাপিয়ে চারশর বেশি রানে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা।

গুয়াহাটিতে ম্যাচের শেষ দিন পরাজয় এড়াতে ৮ উইকেট হাতে রেখে পুরো ৯০ ওভার খেলতে হতো ভারতের। কিন্তু ৪৮ ওভারের বেশি টিকতে পারেনি তারা। বাকি থাকা ৮ উইকেট হারিয়ে যোগ করতে পেরেছে মাত্র ১১৩ রান।

এই জয়ের ভারতের মাঠে ২৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাল দক্ষিণ আফ্রিকা। এই সিরিজের আগে সবশেষ ২০০০ সালের ভারতের মাঠে টেস্ট সিরিজ জিতেছিল তারা। আর নিজেদের মাঠে সবশেষ তিন সিরিজের মধ্যে দুটিই হেরে বসল ভারত।

ভারতকে গুঁড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে মার্করামের বিশ্ব রেকর্ড

ম্যাচের প্রথম ইনিংসে সেনুরান মুত্থুসামির সেঞ্চুরিতে ৪৮৯ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে মার্কো ইয়ানসেনের শর্ট বলের তোপে মাত্র ২০১ রানে গুটিয়ে যায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬০ রানে ব্যাটিং ছেড়ে দেয় প্রোটিয়ারা।

ভারতের সামনে দাঁড়ায় ৫৪৯ রানের অসম্ভব এক লক্ষ্য। যা করার জন্য তাদের হাতে ছিল ১০৮ ওভার। কিন্তু চতুর্থ দিন শেষ বিকেলে ১৫.৫ ওভারের মধ্যে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তারা। শেষ দিনে তাই অসাধ্যই সাধন করতে হতো স্বাগতিকদের।

সাইমন হার্মারের ঘূর্ণিতে তা আর করতে পারেনি ভারত। ২৩ ওভারে মাত্র ৩৭ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন হার্মার। এছাড়া কেশব মহারাজের শিকার ২ উইকেট।

ভারতের পক্ষে লড়াই করা রবীন্দ্র জাদেজা খেলেন ৮৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস। সাই সুদর্শন লম্বা সময় উইকেটে থেকে ১৩৯ বলে করেন ১৪ রান।

দুই ইনিংস মিলিয়ে মোট ৯টি ক্যাচ নিয়েছেন এইডেন মার্করাম। টেস্ট ক্রিকেটে নন উইকেটকিপারদের মধ্যে এটিই ম্যাচে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড।

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে ৪ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার এটি তৃতীয় জয়। ৬৬.৬৭ শতাংশ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দুই নম্বরে তারা। আর ৯ ম্যাচে ৪ জয়ে ৫৪.১৭ শতাংশ পয়েন্ট পেয়ে চার নম্বরে ভারত।