ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:২৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 2

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যবসায়ী এস আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করেছে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সম্প্রতি ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামে একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ওই ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

এ ছাড়া অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’-এর অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ব্যবসায়ী এস আলম ভূমিকা রেখেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চারটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসঙ্গতি শনাক্ত করেছে বলেও দুদকে দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:২৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যবসায়ী এস আলমসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করেছে ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সম্প্রতি ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ করপোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

দুদকে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামে একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরে ওই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ওই ঋণ অনুমোদনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং এর মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

এ ছাড়া অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’-এর অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ব্যবসায়ী এস আলম ভূমিকা রেখেছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চারটি নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে বিভিন্ন অনিয়ম ও অসঙ্গতি শনাক্ত করেছে বলেও দুদকে দেওয়া অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।