ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

র‍্যাব গঠন, এটি ছিলো মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত: সাবেক সেনাপ্রধান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 96
111

সেনাবাহিনীকে কখনও বেসামরিক পুলিশের সঙ্গে মেশানো ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ২০০৩ সালে যখন র‍্যাব গঠন করা হয়, এটি ছিলো একটি মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক ব্যক্তিকে গুমের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্বাক্ষ্য দিতে এসে ট্রাইব্যুনালকে এসব কথা বলেন সাবেক সেনা প্রধান।

ঢাকা শহরে ৪০টি আধুনিক খেলার মাঠ তৈরি করবে বিএনপি: তারেক রহমান

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ডিজিএফআই হয়ে উঠে দেশের মুখ্য নিয়ন্ত্রক। বিভিন্ন সময়ে তারা ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে তাদের আটক রাখা ও সেলে জিজ্ঞাসাবাদ করতেন। তারা বিএনপির তারেক রহমানকেও উঠিয়ে এনে নির্যাতন করে। এসময় থেকেই বস্তুত বেসামরিক ব্যক্তিদেরকে উঠিয়ে এনে আটক ও সেলে রাখার একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। যেটি ছিল আয়নাঘরের পূর্বসূরি।’

এ সাবেক সেনাপ্রধান তার জবানবন্দিতে আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিকী নিয়োগ পাওয়ার পর ধীরে ধীরে ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি, র‍্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। তার নির্দেশেই এসব সংস্থা গুম, খুন ও বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।’

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

র‍্যাব গঠন, এটি ছিলো মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত: সাবেক সেনাপ্রধান

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৪৭ অপরাহ্ন, রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
111

সেনাবাহিনীকে কখনও বেসামরিক পুলিশের সঙ্গে মেশানো ঠিক হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) ইকবাল করিম ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, ২০০৩ সালে যখন র‍্যাব গঠন করা হয়, এটি ছিলো একটি মারাত্মক ও ভয়াবহ সিদ্ধান্ত।

আওয়ামী লীগের শাসনামলে শতাধিক ব্যক্তিকে গুমের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে স্বাক্ষ্য দিতে এসে ট্রাইব্যুনালকে এসব কথা বলেন সাবেক সেনা প্রধান।

ঢাকা শহরে ৪০টি আধুনিক খেলার মাঠ তৈরি করবে বিএনপি: তারেক রহমান

জবানবন্দিতে তিনি বলেন, ‘২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত সময়ে ডিজিএফআই হয়ে উঠে দেশের মুখ্য নিয়ন্ত্রক। বিভিন্ন সময়ে তারা ব্যক্তিদের উঠিয়ে এনে তাদের আটক রাখা ও সেলে জিজ্ঞাসাবাদ করতেন। তারা বিএনপির তারেক রহমানকেও উঠিয়ে এনে নির্যাতন করে। এসময় থেকেই বস্তুত বেসামরিক ব্যক্তিদেরকে উঠিয়ে এনে আটক ও সেলে রাখার একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। যেটি ছিল আয়নাঘরের পূর্বসূরি।’

এ সাবেক সেনাপ্রধান তার জবানবন্দিতে আরও বলেন, ‘নিরাপত্তা উপদেষ্টা তারেক আহমেদ সিদ্দিকী নিয়োগ পাওয়ার পর ধীরে ধীরে ডিজিএফআই, এনএসআই, এনটিএমসি, র‍্যাবসহ অন্যান্য বাহিনীর ওপর কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। তার নির্দেশেই এসব সংস্থা গুম, খুন ও বিচারবর্হিভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে।’