যুদ্ধের সমীকরণ পাল্টে দিচ্ছে ইরানের ড্রোন, বিপাকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল
- আপডেট সময় : ০১:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
- / 51
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধে সস্তা ড্রোন কীভাবে আধুনিক যুদ্ধের হিসাব-নিকাশ পাল্টে দিচ্ছে, তা নিয়ে একটি বিস্তারিত সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সস্তা ড্রোন ব্যবহারের কারণে যুদ্ধের ব্যয়ভারের ক্ষেত্রে এক বিশাল অসমতা তৈরি হয়েছে। সামরিক দিক থেকে ধনী ও শক্তিশালী দেশগুলোর দীর্ঘদিনের সুবিধাজনক অবস্থান এখন এই সস্তা ড্রোনের কারণে বড় ধরনের হুমকিতে পড়েছে।
বোয়িং, লকহিড মার্টিন এবং রেথিয়নের মতো প্রতিষ্ঠানের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে রয়টার্স দেখিয়েছে, ইরানের তৈরি একটি ‘শাহেদ-১৩৬’ কামিকাজে বা ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোনের দাম গড়ে মাত্র ৩৫ হাজার মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, এই ড্রোনগুলোকে আকাশেই ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র বা ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করছে, তার প্রতিটির দাম প্রায় ৪০ লাখ ডলার। অর্থাৎ, একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের খরচে ইরান অন্তত ১১৫টি শাহেদ ড্রোন নিক্ষেপ করতে সক্ষম।
মধ্যপ্রাচ্যের যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হামলা হুমকি ইরানের
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, সংঘাতের প্রথম সপ্তাহেই ইরান ১ হাজারেরও বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করার দাবি করেছে। কম খরচে এ ধরনের ব্যাপক আক্রমণ ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে, যা অর্থনৈতিক ও কৌশলগত উভয় দিক থেকেই তাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ।
এদিকে, দূরনিয়ন্ত্রিত এই যুদ্ধের দ্রুত বিবর্তনের সাথে তাল মেলাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ওয়াশিংটন। রয়টার্সের গ্রাফিক্সে দেখানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ‘এফএলএম-১৩৬ লুকাস’ নামের একটি নতুন একমুখী আক্রমণকারী ড্রোন মোতায়েন করেছে, যার নকশা প্রায় হুবহু ইরানের শাহেদ-১৩৬ ড্রোনের মতোই।























ক্যানসার আক্রান্ত সন্তানসহ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জুলাই শহিদের মায়ের সাক্ষাৎ