‘জ্বালানির যোগানে সংকট নেই, অবৈধ মজুতকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চলবে’

- আপডেট সময় : ০২:৫১:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
- / 72
জ্বালানির যোগানে কোনো সংকট নেই। যারা অবৈধভাবে মজুত করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের মুখপাত্র মনির হোসেন চৌধুরী।
আজ (মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।
এসময় মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘শুধু আজকের দিনের জন্য ডিজেলের মজুত ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ মেট্রিক টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন আছে। জেট ফুয়েলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। সামনের হজ মৌসুমে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছি।’
১৩ ঘণ্টা বন্ধ রাখতে চান ফিলিং স্টেশনের মালিকরা
তবে প্রতিদিনই সব ধরনের জ্বালানি নতুন করে যুক্ত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো সংকট নেই এখন পর্যন্ত। গ্রাহকদের যেন কোনো হয়রানি না হয় সেজন্য চাহিদা এবং যোগান দু’টি বিষয়কেই গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে মন্ত্রণালয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিজানে সব মিলিয়ে ২ লাখ ৯৬ হাজার ৬০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে। ৩০ মার্চ সারা দেশে অবৈধভাবে মজুদ করে রাখা ৮৭ হাজার লিটার জ্বালানি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিজেল ৬৭ হাজার, অকটেন ৬ হাজার ৭৪৪ লিটার, পেট্রোল ১৩ হাজার লিটার।’
যারা অবৈধভাবে মজুত করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী।
ডিজেল পাচার রোধে সীমান্তে কড়া নজরদারি জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান মনির হোসেন চৌধুরী। তিনি বলেন, জ্বালানি বিক্রিতে একটি অ্যাপ তৈরি করছে সরকার। সপ্তাহখানেকের মধ্যে সেটির পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হবে।
এছাড়া ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে এবং আগামী সপ্তাহেই তা পরীক্ষামূলকভাবে চালু হতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মনির হোসেন চৌধুরী আরও বলেন, দেশে এলএনজি ও এলপিজি সরবরাহ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না। কারণ যে পরিমাণ সরবরাহ পাওয়ার কথা ছিলো, তা পাওয়া গেছে।




















