ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি সংকটে আগামীতে দ্রব্যমূল্যের ওপর প্রভাব পড়বে : অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:১০:৫১ অপরাহ্ন, রোববার, ৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 68

জ্বালানি সংকটে আগামীতে দ্রব্যমূল্যের ওপর প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের ওএইচআরএলএলএস এবং আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। শুধু জ্বালানি নয়, এর প্রভাব পড়ছে সব ধরনের পণ্য, খাদ্যদ্রব্য এবং পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। ফলে আগামী দিনে দ্রব্যমূল্য বাড়বে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

এটি কোনো একক দেশের সমস্যা নয়; বরং বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশে এখনো দাম বাড়ানো হয়নি, তবে কতদিন তা সম্ভব হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

অর্থমন্ত্রী জানান, নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের ওপর চাপ কম রাখতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে একসময় এই চাপ বহন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়তে পারে। যদি সরকারি তহবিল এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব জনগণের ওপরই পড়বে। তাই বিষয়টি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির ম্যানিফেস্টো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কাজ চলছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কাজ শেষ করতে পারলে দেশ গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুত হবে। তখন বিষয়টি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে উপস্থাপন করা হবে। তবে এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছানো যায়নি, তাই এই মুহূর্তে গ্র্যাজুয়েশনের কোনো সুযোগ নেই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি সংকটে আগামীতে দ্রব্যমূল্যের ওপর প্রভাব পড়বে : অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:১০:৫১ অপরাহ্ন, রোববার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি সংকটে আগামীতে দ্রব্যমূল্যের ওপর প্রভাব পড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রস্তুতি পর্যালোচনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে জাতিসংঘের ওএইচআরএলএলএস এবং আবাসিক সমন্বয়কের কার্যালয়ের সহযোগিতায় আয়োজিত ন্যাশনাল মাল্টিস্টেকহোল্ডার কনসাল্টেশন কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সংকট ‘মরার উপর খাড়ার ঘা’-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। শুধু জ্বালানি নয়, এর প্রভাব পড়ছে সব ধরনের পণ্য, খাদ্যদ্রব্য এবং পুরো সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর। ফলে আগামী দিনে দ্রব্যমূল্য বাড়বে—এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

এটি কোনো একক দেশের সমস্যা নয়; বরং বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম দ্বিগুণ হয়েছে, শ্রীলঙ্কায় বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। বাংলাদেশে এখনো দাম বাড়ানো হয়নি, তবে কতদিন তা সম্ভব হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না।

অর্থমন্ত্রী জানান, নির্বাচিত সরকার হিসেবে জনগণের ওপর চাপ কম রাখতে চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে একসময় এই চাপ বহন করা সরকারের জন্য কঠিন হয়ে পড়তে পারে। যদি সরকারি তহবিল এভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, তাহলে শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব জনগণের ওপরই পড়বে। তাই বিষয়টি বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিএনপির ম্যানিফেস্টো ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কাজ চলছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এগুলো সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব কাজ শেষ করতে পারলে দেশ গ্র্যাজুয়েশনের জন্য প্রস্তুত হবে। তখন বিষয়টি জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে উপস্থাপন করা হবে। তবে এখনো সেই পর্যায়ে পৌঁছানো যায়নি, তাই এই মুহূর্তে গ্র্যাজুয়েশনের কোনো সুযোগ নেই।