ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলায় ১ লাখ প্রাণহানির শঙ্কা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 62

ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রার পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রুহিলো, কারাবাও, মিরান্ডা এবং লা গুয়াইরা রাজ্যসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব এলাকায় একের পর এক ভবন ধসে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমনকি প্রাণহানি ১ লাখ পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে। ইউএসজিএসের হিসাব অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি হওয়ার আশঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং ১ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে, এমন আশঙ্কা ৩০ শতাংশ। তবে এখন পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিহত বা আহতের কোনও আনুষ্ঠানিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। সংস্থাটি বলেছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগের প্রভাব বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং পরবর্তীতে শক্তিশালী আফটারশকও আঘাত হানতে পারে। এর পাশাপাশি ভূমিধস এবং মাটির তরলীকরণ বা ‘লিকুইফ্যাকশন’-এরও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি রয়েছে। মূলত ভূমিকম্পের সময় আলগা মাটির স্তর তরলের মতো আচরণ করলে যে লিকুইফ্যাকশন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা অনেকটা ভূমিধসের মতোই ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভূমিকম্পে তছনছ ভেনেজুয়েলায় ১ লাখ প্রাণহানির শঙ্কা!

আপডেট সময় : ০২:৩১:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

ভেনেজুয়েলায় ৭ মাত্রার পরপর দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়েছে। এ ঘটনায় ট্রুহিলো, কারাবাও, মিরান্ডা এবং লা গুয়াইরা রাজ্যসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এসব এলাকায় একের পর এক ভবন ধসে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে, এমনকি প্রাণহানি ১ লাখ পর্যন্তও পৌঁছাতে পারে। ইউএসজিএসের হিসাব অনুযায়ী, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি হওয়ার আশঙ্কা ৪৪ শতাংশ এবং ১ লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হতে পারে, এমন আশঙ্কা ৩০ শতাংশ। তবে এখন পর্যন্ত ভেনেজুয়েলা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিহত বা আহতের কোনও আনুষ্ঠানিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

ইউএসজিএস জানিয়েছে, স্থানীয় সময় বুধবার (২৪ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানী কারাকাস থেকে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটার পশ্চিমে সান ফেলিপের কাছে ৭ দশমিক ২ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরপরই রাজধানী থেকে প্রায় ২৯৩ কিলোমিটার পশ্চিমে ইউমারের কাছে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার আরও একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প হয়। সংস্থাটি বলেছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগের প্রভাব বিস্তৃত এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং পরবর্তীতে শক্তিশালী আফটারশকও আঘাত হানতে পারে। এর পাশাপাশি ভূমিধস এবং মাটির তরলীকরণ বা ‘লিকুইফ্যাকশন’-এরও উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি রয়েছে। মূলত ভূমিকম্পের সময় আলগা মাটির স্তর তরলের মতো আচরণ করলে যে লিকুইফ্যাকশন পরিস্থিতি তৈরি হয়, তা অনেকটা ভূমিধসের মতোই ক্ষতির কারণ হতে পারে।