ম্যাচ চলাকালীন রেফারিদের ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন স্কালোনি
- আপডেট সময় : ১০:৫৫:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
- / 14
বুধবার রাতে সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে এখন ফাইনালে আর্জেন্টিনা। দুই দলের এই লড়াইয়ে জাতীয় সঙ্গীত বাজার সময় থেকেই মাঠের উত্তেজনা ছিল চরমে। ম্যাচের শুরুর দিকের মিনিটে লিওনেল মেসিকে ইংল্যান্ডের এক খেলোয়াড় ট্যাকল করে থামিয়ে দিলে রেফারি ফাউলের বাঁশি বাজাননি। আর তাতেই ডাগআউটে রাগে ফেটে পড়েন লিওনেল স্কালোনি।
উত্তেজিত হয়ে আর্জেন্টাইন কোচ চিৎকার করে বলে ওঠেন, ‘ফাউলটা দে, তোর মায়ের…।’ ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ৪৪ বছর বয়সী মার্কিন রেফারি ইসমাইল এলফাত কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালেও চতুর্থ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, যেখানে আর্জেন্টিনা তাদের ইতিহাসের তৃতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছিল।
এই ম্যাচে এলফাতের সহকারী হিসেবে ছিলেন তারই দুই স্বদেশী কোরি পার্কার ও কাইল অ্যাটকিন্স। আর চতুর্থ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইতালির মাউরিজিও মারিয়ানি। যিনি মূলত স্কালোনির এই ক্ষোভ ও গালিগালাজের সম্মুখীন হন।
ম্যাচের আগেই এই রেফারি প্যানেল নির্বাচন নিয়ে বেশ বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। বিশেষ করে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছিল। তাদের যুক্তি ছিল, এলফাত কাতার বিশ্বকাপের ফাইনালে চতুর্থ রেফারি ছিলেন এবং এরপর থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এমএলএস-এ ইন্টার মায়ামির বেশ কয়েকটি ম্যাচে রেফারির দায়িত্ব পালন করেছেন। যেখানে খেলেন লিওনেল মেসি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল সরাসরি আক্রমণ করে শিরোনাম লিখেছিল, ‘বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনালে নিজের প্রিয় রেফারিকে পাচ্ছেন মেসি।’ সুর মিলিয়ে দ্য সান সতর্কবার্তা দিয়ে লিখে, আর্জেন্টিনার ‘ডার্টি গেম’ এবং বিতর্কিত রেফারির সামনে ইংল্যান্ডকে যেকোনো মূল্যে ‘মাথা ঠান্ডা’ রাখতে হবে। যদিওম্যাচে সেই রেফারির ওপরই ক্ষিপ্ত ছিলেন।
























অপতথ্য ও সাইবার বুলিং সহ্য করবে না সরকার: তথ্য উপদেষ্টা