মাত্র ৮৫ রান করেই জিএসএল চ্যাম্পিয়ন গায়ানা
- আপডেট সময় : ১২:২৬:১৮ অপরাহ্ন, রোববার, ২ অগাস্ট ২০২৬
- / 3
সাম্প্রতিক সময়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই চার-ছক্কার ফুলঝুরি আর বোলারদের বেদম পিটুনি। তবে এই ভাবনাকে ভুল প্রমাণ করে দিল গ্লোবাল সুপার লিগের ফাইনাল। লো স্কোরিং ম্যাচে মাত্র ৮৫ রান করেই শিরোপা জিতে গেছে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স।
প্রোভিডেন্স স্টেডিয়ামে রোববার সকালে হওয়া শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্যান ফ্র্যান্সিসকো ইউনিকর্নসকে ৬ রানে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো জিএসএল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্বাগতিক গায়ানা।
আগে ব্যাট করে মাত্র ৮৫ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল গায়ানা। পরে স্যান ফ্র্যান্সিসকোকে ৭৯ রানের বেশি করতে দেয়নি তারা।
প্রায় দুই যুগের টি-টোয়েন্টি ইতিহাসে কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে এই প্রথম ১০০ রানের কম করে জয় পেল কোনো দল।
২০২৩ সালে ওয়েস্ট আফ্রিকা ট্রফির ফাইনালে রুয়ান্ডার বিপক্ষে ১০৩ রান করে ১৮ রানের জিতেছিল নাইজেরিয়া। এতদিন সেটিই ছিল রেকর্ড।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজেদের বিপদই ডাকে গায়ানা। পাওয়ার প্লের মধ্যে তারা হারিয়ে ফেলে ৪ উইকেট। সেখান থেকে উদ্ধার পাওয়ার বদলে পরের ৩ ওভারে ফিরে যান আরও ৪ ব্যাটার।
সব মিলিয়ে ৮.৩ ওভারে মাত্র ২৯ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। প্রথম ৮ ব্যাটারের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।
সেখান থেকে শেষ তিন ব্যাটারের লড়াইয়ের সৌজন্যে কোনোমতে রক্ষা পায় গায়ানা। নবম উইকেটে ৪১ রানের মহামূল্যবান জুটি গড়েন ম্যাথু ফোর্ড ও ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস। ২ চার ও ২ ছক্কায় ২৩ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলেন ফোর্ড।
পরে ১১ নম্বরে নেমে ১১ বলে ১১ রান করেন ইমরান তাহির। আর প্রিটোরিয়াসের ব্যাট থেকে আসে ৩০ বলে ১৭ রান।
স্যান ফ্র্যান্সিসকোর পক্ষে ৪ ওভারে মাত্র ৭ রানে ৩ উইকেট নেন অনিরুদ্ধ এমানুয়েল। পিটার সিডলের শিকার ৪ ওভারে ১৮ রানে ৩ উইকেট।
ছোট লক্ষ্য তাড়ায় পাওয়ার প্লেতে স্যান ফ্র্যান্সিসকো হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। তবু একপর্যায়ে ওই ৩ উইকেটেই ৫৩ রান করে ফেলে জয়ের পথেই ছিল তারা।
দশম ওভারের শেষ বলে সঞ্জয় কৃষ্ণমূর্তি বিদায় নিলে নামে ধস। চোখের পলকে ৫ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে ৫৮ রানে ৮ উইকেটের দলে পরিণত হয় তারা। ৪ নম্বরে নেমে অলিভার পিক খেলেন ম্যাচেরই সর্বোচ্চ ২৮ বলে ৩১ রানের ইনিংস।
স্বীকৃত ব্যাটাররা সবাই ফিরে গেলে সিডল ব্যাট হাতেও চেষ্টা করেন। তবে সফল হননি। শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ১৩ রানে অপরাজিত থেকে যান সিডল। আর ৯ বল আগেই গুটিয়ে গিয়ে হেরে যায় স্যান ফ্র্যান্সিসকো।
৪ ওভারে মাত্র ১২ রানে ৩ উইকেট নেন মোহাম্মদ নবী। প্রিটোরিয়াস ২৪ রানে নেন ৩ উইকেট। ইমরান তাহির ১৬ রানে নেন ২ উইকেট।
অলরাউন্ড নৈপুণ্যে ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতেন প্রিটোরিয়াস। আর টুর্নামেন্টে ৫৩ রানের পাশাপাশি ১০ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দা টুর্নামেন্ট হন নবী।






















প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে নির্বাচিতদের যোগদানের তারিখ ১ অক্টোবর