রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কেউ গুম হচ্ছেন না: রিজভী
- আপডেট সময় : ০৪:০৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ অগাস্ট ২০২৬
- / 10
তারেক রহমান ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কেউ গুম হচ্ছেন না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প মন্ত্রণালয়–সংক্রান্ত উপদেষ্টা মো. রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, গত চার-পাঁচ মাসে কোনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কথা শোনা যায়নি।
গুপ্তহত্যা, অর্থ পাচার কিংবা ব্যাংক লুটপাটের মতো ঘটনার কথাও শোনা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম অবস্থান বজায় রেখে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করছে।
শনিবার (১ আগস্ট) রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) সোশ্যাল গার্ডেন সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত ‘দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের ভূমিকা, সম্ভাবনা ও সমস্যা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ শিক্ষক সমিতি।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান প্রশাসন নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইনগত ও প্রশাসনিক জটিলতা থাকলেও তা অতিক্রম করে দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, অনেকে প্রশ্ন করছেন, চার-পাঁচ মাসে কী হয়েছে। কিন্তু এটুকু সত্য যে, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কেউ গুম হচ্ছেন না, কেউ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছেন না। আজ আর গুপ্তহত্যা, অর্থ পাচার কিংবা ব্যাংক লুটপাটের মতো ঘটনার কথা শোনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বাংলাদেশ স্বাধীন ও সার্বভৌম অবস্থান বজায় রেখে সব দেশের সঙ্গে সমমর্যাদার ভিত্তিতে পররাষ্ট্রনীতি পরিচালনা করছে।
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালুর প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, চলতি আগস্ট মাসের শেষ দিকে দেশটির শ্রমবাজার উন্মুক্ত হওয়ার বিষয়ে ইতোমধ্যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এটিকে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের কথাও তুলে ধরে রিজভী বলেন, মহাসড়কে প্রতি ১০ কিলোমিটার অন্তর অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যাতে দুর্ঘটনার পর দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা যায়।
দেশের স্কুলছুট শিক্ষার্থীদের কারিগরি শিক্ষার আওতায় এনে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থী যেন ঝরে না পড়ে, সেটিই হওয়া উচিত রাষ্ট্রের লক্ষ্য। যারা ঝরে পড়ে, তাদের কারিগরি শিক্ষার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে তুলতে হবে।
কারিগরি শিক্ষাকে শিল্প খাতের সঙ্গে আরও কার্যকরভাবে যুক্ত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ান তৈরির সঙ্গে শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদার সমন্বয় ঘটাতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে পরামর্শ পেলে তা সরকারিভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. আহসানুল হাবিব খান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. দাউদ মিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল খায়ের মো. আক্কাস আলী, আইডিইবির অন্তর্বর্তী কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক ইঞ্জিনিয়ার মো. কবীর হোসেন এবং সদস্যসচিব ইঞ্জিনিয়ার কাজী সাখাওয়াত হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মেহেরপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. ফয়েজুল বারী।




















বাংলাদেশসহ ৫০ দেশের জন্য মার্কিন ভিসার নতুন নিয়ম