ঢাকা ১২:৪৪ অপরাহ্ন, রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসানুল হক ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 2

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যাসহ সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র, উসকানির দায়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ৫০০ পৃষ্ঠার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

এদিকে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে প্রসিকিউশন। ইতোমধ্যেই আপিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ জুন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে তিনটি সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় ইনুকে মোট ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।

ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা ৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের ঘটনায় তার দায় প্রমাণিত হয়েছে। এ অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও দুষ্কর্মে সহযোগিতার অভিযোগেও ইনুর দায় প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আরেকটি অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও চুক্তিতে সম্পৃক্ত থাকার দায়ে তাকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এসব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এসব অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধে হাসানুল হক ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৪৩:৪১ অপরাহ্ন, রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন কুষ্টিয়ায় ৬ জনকে হত্যাসহ সারাদেশে মানবতাবিরোধী অপরাধের ষড়যন্ত্র, উসকানির দায়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে দেওয়া ১০ বছরের কারাদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ৫০০ পৃষ্ঠার রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

এদিকে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম জানান, এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবে প্রসিকিউশন। ইতোমধ্যেই আপিলের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এর আগে গত ৩০ জুন ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। তার বিরুদ্ধে আনা আটটি অভিযোগের মধ্যে তিনটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রতিটিতে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে তিনটি সাজা একই সঙ্গে কার্যকর হওয়ায় ইনুকে মোট ১০ বছর কারাগারে থাকতে হবে।

ট্রাইব্যুনালের পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা ৩, ৬ ও ৭ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এর মধ্যে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতাকে গুরুতর আহত করা, নির্যাতন এবং রাজনৈতিক কারণে নিপীড়নের ঘটনায় তার দায় প্রমাণিত হয়েছে। এ অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন, ১৯৭৩-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা ও দুষ্কর্মে সহযোগিতার অভিযোগেও ইনুর দায় প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আরেকটি অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র ও চুক্তিতে সম্পৃক্ত থাকার দায়ে তাকে আরও ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে এসব সাজা একসঙ্গে কার্যকর হবে।

অন্যদিকে, ইনুর বিরুদ্ধে আনা ১, ২, ৪, ৫ ও ৮ নম্বর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় এসব অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেন ট্রাইব্যুনাল।