ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দামে প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 6

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব যাতে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্বাভাবিকভাবে না পড়ে, সে জন্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি বিক্রি হওয়ায় মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি সরাসরি মানুষের নজরে আসে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগান মাঠে সরকারের সিএসআর তহবিলের সহযোগিতায় চা শ্রমিকদের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো ঠেকাতে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারেন।

তেল পাচারের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে এবং জেলা পর্যায়েও প্রশাসন নজরদারি করছে। পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যের পার্থক্য বিবেচনা করেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বর্তমানে বড় ধরনের মূল্যপার্থক্যের কারণে জ্বালানি তেল পাচারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না।

বিরোধী দলের সমালোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য ও বিশ্লেষণ যেন গঠনমূলক এবং জনস্বার্থে কার্যকর হয়, সে প্রত্যাশা করেন তিনি।

সরকারি-বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সমন্বয় না হওয়ায় পর্যায়ক্রমে বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একবারে বড় ধরনের বৃদ্ধি না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি খাতে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা মূলত বাজারের চাহিদা ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মালিকপক্ষ নির্ধারণ করে থাকে। কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারের তুলনায় কম মজুরি দিলে সেখানে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া কঠিন হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কিছু প্রতিষ্ঠানও ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতের উদ্যোগের আওতায় আসবে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে পণ্যের দামে প্রভাব পড়বে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব যাতে অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্বাভাবিকভাবে না পড়ে, সে জন্য সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক ও নির্বিঘ্ন রাখার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। দেশে সরকার নির্ধারিত মূল্যে জ্বালানি বিক্রি হওয়ায় মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি সরাসরি মানুষের নজরে আসে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সিলেটের লাক্কাতুরা চা বাগান মাঠে সরকারের সিএসআর তহবিলের সহযোগিতায় চা শ্রমিকদের মধ্যে রেইনকোট বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে পণ্যের মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বাড়ানো ঠেকাতে সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে তিনি বলেন, সরবরাহ শৃঙ্খল স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, যাতে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত মুনাফা করতে না পারেন।

তেল পাচারের বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত রক্ষী বাহিনী এ বিষয়ে সচেতন রয়েছে এবং জেলা পর্যায়েও প্রশাসন নজরদারি করছে। পার্শ্ববর্তী দেশের সঙ্গে জ্বালানি তেলের মূল্যের পার্থক্য বিবেচনা করেই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। বর্তমানে বড় ধরনের মূল্যপার্থক্যের কারণে জ্বালানি তেল পাচারের মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না।

বিরোধী দলের সমালোচনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারি দলের পাশাপাশি বিরোধী দলেরও দায়িত্বশীল ভূমিকা রয়েছে। মানুষের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলোর বক্তব্য ও বিশ্লেষণ যেন গঠনমূলক এবং জনস্বার্থে কার্যকর হয়, সে প্রত্যাশা করেন তিনি।

সরকারি-বেসরকারি খাতের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন সমন্বয় না হওয়ায় পর্যায়ক্রমে বেতন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একবারে বড় ধরনের বৃদ্ধি না করে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, বেসরকারি খাতে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা মূলত বাজারের চাহিদা ও শ্রমবাজারের পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মালিকপক্ষ নির্ধারণ করে থাকে। কোনো প্রতিষ্ঠান বাজারের তুলনায় কম মজুরি দিলে সেখানে প্রয়োজনীয় শ্রমিক পাওয়া কঠিন হয়। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন কিছু প্রতিষ্ঠানও ভবিষ্যতে বেসরকারি খাতের উদ্যোগের আওতায় আসবে বলে জানান তিনি।