প্রমোশন পেয়েও তৃপ্ত নন খালেদ-হাসানদের কোচ
- আপডেট সময় : ১২:১৭:১০ অপরাহ্ন, রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 10
কেন্টের জন্য দিনটি ছিল উদযাপনের। দুই মৌসুম পর আবার কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম বিভাগে ফিরেছে হাসান মাহমুদ, সৈয়দ খালেদ আহমেদের দল। তবে কেন্টের কোচ অ্যাডাম হলিওক খুব একটা উচ্ছ্বসিত নন। তার চোখে, কেন্টের কাজটা সবে শুরু।
কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের ডিভিশন টু-তে দ্বিতীয় হয়ে প্রথম বিভাগে ওঠার পরও হলিওকের মনে হচ্ছে, আরও অনেক দূর যেতে হবে তার দলকে। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটারের মতে, এবার মোটে ১২তম হয়েছেন তারা।
“হয়তো আমার ভেতরের বুড়ো মানুষটা একটু বেশি কথা বলে (হাসি)। সবাই যখন উদযাপন করছে, তখন আমার মনে হচ্ছে, ‘ভাই, আমরা তো ১২ নম্বরে শেষ করেছি!’ আমি এভাবেই দেখি বিষয়টা।”
গত মৌসুমে ডিভিশন টু-তে সবার নিচে ছিল কেন্ট। ২৯ পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে শেষ করেছিল তারা। সেই দলই এবার ১৪ ম্যাচে জিতেছে ৮টি।
শনিবার মিডলসেক্সের বিপক্ষে নর্থহ্যাম্পটনশায়ারের পরাজয়ে নিশ্চিত হয়ে যায় কেন্টের প্রমোশন। পরে গ্লস্টারশায়ারকে ৮ উইকেটে হারিয়ে নিজেদের মৌসুমটা আনন্দেই শেষ করে কেন্ট। যার ফলে ২০২৪ সালের পর আবার প্রথম বিভাগে খেলবে ক্যান্টারবারির দলটি।
এই সাফল্যে বড় অবদান বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান ও খালেদের। ইনিংসে দুবার ৪ উইকেট ও একবার ৫ উইকেটসহ সব মিলিয়ে ৮ ইনিংসে ২৬ উইকেট নিয়েছেন হাসান। আর পরে দলে যোগ দেওয়া খালেদ একবার ইনিংসে ৫ উইকেটসহ ৬ ইনিংসে নিয়েছেন ১৬ উইকেট।
ডিভিশন ওয়ানে উঠলেও হলিওক অবশ্য এখনই বেশি দূরের কথা ভাবতে চান না। তার কাছে আসল চ্যালেঞ্জ শুরু হবে প্রথম বিভাগে মাঠের লড়াই শুরুর পর।
“এটা আমরা উপভোগ করব। কিন্তু আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে। প্রথম বিভাগে ওঠার পরই আসল কাজ শুরু।”
প্রমোশন নিশ্চিত হওয়ার পর স্বস্তিও লুকাননি ৫৫ বছর বয়সী সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
“ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে, আমরা বেশ কিছুদিন ধরেই এটার জন্য কাজ করছিলাম। তাই ভেতরে ভেতরে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। তবে কাজটা শেষ হয়েছে- এটা নিশ্চিত হওয়ার পর স্বস্তি লাগছে।”
কেন্টের এই ঘুরে দাঁড়ানো তাই কম চমকপ্রদ নয়। গত মৌসুমে দলটি ছিল তলানিতে। এবারও শুরুটা খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। প্রথম তিন ম্যাচে জয় পায়নি কেন্ট। যদিও ওই তিন ম্যাচের শুধু একটিতেই হেরেছিল তারা।
সেই অবস্থায় এমন ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে- এমন বিশ্বাসও ছিল না হলিওকের।
“গত বছর তো আমি মোটেও আত্মবিশ্বাসী ছিলাম না! এমনকি এ বছর তিন ম্যাচ পরও কোচ হিসেবে নিজেকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। খেলোয়াড়েরাও নিজেদের নিয়ে প্রশ্ন করছিল।” এরপরই বদলে যেতে শুরু করে কেন্টের গল্প।
“এটা সত্যিই অসাধারণ এক পরিবর্তন। খেলোয়াড়েরা যেভাবে পরিস্থিতির জবাব দিয়েছে, তার পুরো কৃতিত্ব তাদেরই।”
কোচ হিসেবে নিজের অবদানকেও খুব বেশি বড় করে দেখাতে চান না তিনি। বরং সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব দিয়েছেন খেলোয়াড়দের।
“কোচের কাজ হলো, খারাপ সময় এলে সমালোচনা নিজের কাঁধে নেওয়া। আর ভালো সময় এলে একটু আড়ালে থাকা। এটা না করতে পারলে হয়তো আপনি কোচ হিসেবে নিজের কাজটা ঠিকমতো করছেন না।”























সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুরের ঘটনায় যা বললেন রাশেদ খাঁন