ঢাকা ০৬:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউজিল্যান্ডে নির্বাচনের ডামাডোল, ভেঙে দেওয়া হলো পার্লামেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 3

নিউজিল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার।

নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডান জোটের সঙ্গে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনীতি ও সরকারি সেবার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়।

এ সপ্তাহে প্রকাশিত ১নিউজ-ভেরিয়ান জনমত জরিপে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে রয়েছে। জরিপের হিসাবে, এই জোট ৬৫টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল, অ্যাক্ট ও নিউজিল্যান্ড ফার্স্টের জোট পেতে পারে ৫৯টি আসন।

নিউজিল্যান্ডে জার্মানির মতো মিশ্র সদস্য আনুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রায় ৩০ বছর আগে এ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে জোট সরকার গঠনই সাধারণ ঘটনা। ফলে ছোট দলগুলোরও সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

দেশটির পার্লামেন্টে সাধারণত ১২০টি আসন থাকে। তবে কোনো দল জাতীয় ভোটের অনুপাতে পাওয়ার চেয়ে বেশি নির্বাচনী আসনে জয়ী হলে পার্লামেন্টে অতিরিক্ত আসন যোগ হতে পারে।

জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় এক দশক আগে গঠিত মধ্যপন্থী অপরচুনিটি পার্টি এবারের নির্বাচনে সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিদেশে থাকা নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের ভোট দেওয়া শুরু হবে ২১ অক্টোবর। আর আগাম ভোট শুরু হবে ২৬ অক্টোবর।

নিউজটি শেয়ার করুন

নিউজিল্যান্ডে নির্বাচনের ডামাডোল, ভেঙে দেওয়া হলো পার্লামেন্ট

আপডেট সময় : ০৪:১৬:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

নিউজিল্যান্ডে জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগামী ৭ নভেম্বরের নির্বাচন সামনে রেখে বৃহস্পতিবার দেশটির পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে নির্বাচনী প্রচার।

নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডান জোটের সঙ্গে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন জোটের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। নির্বাচনী প্রচারে জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনীতি ও সরকারি সেবার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিচ্ছে রাজনৈতিক দলগুলো।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে পার্লামেন্ট ভেঙে দেওয়া হয়।

এ সপ্তাহে প্রকাশিত ১নিউজ-ভেরিয়ান জনমত জরিপে লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট এগিয়ে রয়েছে। জরিপের হিসাবে, এই জোট ৬৫টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল, অ্যাক্ট ও নিউজিল্যান্ড ফার্স্টের জোট পেতে পারে ৫৯টি আসন।

নিউজিল্যান্ডে জার্মানির মতো মিশ্র সদস্য আনুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা চালু রয়েছে। প্রায় ৩০ বছর আগে এ ব্যবস্থা চালুর পর থেকে দেশটিতে জোট সরকার গঠনই সাধারণ ঘটনা। ফলে ছোট দলগুলোরও সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।

দেশটির পার্লামেন্টে সাধারণত ১২০টি আসন থাকে। তবে কোনো দল জাতীয় ভোটের অনুপাতে পাওয়ার চেয়ে বেশি নির্বাচনী আসনে জয়ী হলে পার্লামেন্টে অতিরিক্ত আসন যোগ হতে পারে।

জনমত জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, প্রায় এক দশক আগে গঠিত মধ্যপন্থী অপরচুনিটি পার্টি এবারের নির্বাচনে সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

বিদেশে থাকা নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের ভোট দেওয়া শুরু হবে ২১ অক্টোবর। আর আগাম ভোট শুরু হবে ২৬ অক্টোবর।