ঢাকা ০২:০৪ অপরাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনের অভিযানে চাঁদে যাচ্ছে পাকিস্তানের চন্দ্রযান ‘জিন্নাহ-১’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

চীনের চাং’ই-৮ অভিযানের সঙ্গে ২০২৯ সালে নিজেদের প্রথম চন্দ্র রোভার ‘জিন্নাহ-১’ চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তান। দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো গত ১৩ আগস্ট রোভারটির নাম ঘোষণার সময় এই সময়সূচি জানায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রোভারটি চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবে।

পাকিস্তানে তৈরি রোভারটিতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন যন্ত্র থাকবে। এগুলোর মাধ্যমে চাঁদের প্লাজমা ও বিকিরণ পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, ভূপ্রকৃতির মানচিত্র তৈরি এবং ভবিষ্যৎ চন্দ্র গবেষণার জন্য পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির প্রস্তুতিতে এসব গবেষণা সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে সুপারকো।

রোভারটির নাম নির্ধারণে দেশজুড়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। চার হাজারের বেশি প্রস্তাব থেকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে ‘জিন্নাহ-১’ নামটি বেছে নেওয়া হয়।

সাতজন অংশগ্রহণকারী একই নাম প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে বাহাওয়ালনগরের ১৭ বছর বয়সী তাইয়াব করিম খানকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। নাম ঘোষণার অনুষ্ঠানে সুপারকোর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউসুফ খান একে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণায় এগিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের চন্দ্র অনুসন্ধানে সহযোগিতা আগে থেকেই রয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে চাং’ই-৬ অভিযানের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের ‘আইকিউব-কামার’ স্যাটেলাইট চন্দ্রকক্ষপথে পাঠানো হয়েছিল। এবার জিন্নাহ-১-এর মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠে গবেষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি।

সুপারকোর ওয়েবসাইটে থাকা আগের কর্মসূচির বিবরণে ২০২৮ সালের উল্লেখ থাকলেও ১৩ আগস্টের নাম ঘোষণায় উৎক্ষেপণের পরিকল্পিত বছর বলা হয়েছে ২০২৯। সেই ঘোষণা অনুযায়ী জিন্নাহ-১ এখন ভবিষ্যৎ অভিযানের প্রস্তুতি পর্যায়ে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

চীনের অভিযানে চাঁদে যাচ্ছে পাকিস্তানের চন্দ্রযান ‘জিন্নাহ-১’

আপডেট সময় : ১১:২৬:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

চীনের চাং’ই-৮ অভিযানের সঙ্গে ২০২৯ সালে নিজেদের প্রথম চন্দ্র রোভার ‘জিন্নাহ-১’ চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তান। দেশটির মহাকাশ গবেষণা সংস্থা সুপারকো গত ১৩ আগস্ট রোভারটির নাম ঘোষণার সময় এই সময়সূচি জানায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, রোভারটি চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা চালাবে।

পাকিস্তানে তৈরি রোভারটিতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন যন্ত্র থাকবে। এগুলোর মাধ্যমে চাঁদের প্লাজমা ও বিকিরণ পরিবেশ পর্যবেক্ষণ, ভূপ্রকৃতির মানচিত্র তৈরি এবং ভবিষ্যৎ চন্দ্র গবেষণার জন্য পরীক্ষা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। চাঁদে দীর্ঘমেয়াদি মানব উপস্থিতির প্রস্তুতিতে এসব গবেষণা সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে সুপারকো।

রোভারটির নাম নির্ধারণে দেশজুড়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। চার হাজারের বেশি প্রস্তাব থেকে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর নামে ‘জিন্নাহ-১’ নামটি বেছে নেওয়া হয়।

সাতজন অংশগ্রহণকারী একই নাম প্রস্তাব করেছিলেন। তাঁদের মধ্যে লটারির মাধ্যমে বাহাওয়ালনগরের ১৭ বছর বয়সী তাইয়াব করিম খানকে বিজয়ী নির্বাচিত করা হয়। নাম ঘোষণার অনুষ্ঠানে সুপারকোর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ ইউসুফ খান একে পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণায় এগিয়ে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে বর্ণনা করেন।

চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের চন্দ্র অনুসন্ধানে সহযোগিতা আগে থেকেই রয়েছে। ২০২৪ সালের মে মাসে চাং’ই-৬ অভিযানের অংশ হিসেবে পাকিস্তানের ‘আইকিউব-কামার’ স্যাটেলাইট চন্দ্রকক্ষপথে পাঠানো হয়েছিল। এবার জিন্নাহ-১-এর মাধ্যমে চাঁদের পৃষ্ঠে গবেষণার প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশটি।

সুপারকোর ওয়েবসাইটে থাকা আগের কর্মসূচির বিবরণে ২০২৮ সালের উল্লেখ থাকলেও ১৩ আগস্টের নাম ঘোষণায় উৎক্ষেপণের পরিকল্পিত বছর বলা হয়েছে ২০২৯। সেই ঘোষণা অনুযায়ী জিন্নাহ-১ এখন ভবিষ্যৎ অভিযানের প্রস্তুতি পর্যায়ে রয়েছে।