ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘মার্কিন নৌবাহিনী না থাকলে জ্বালানি তেলের দাম তিন গুণ হতো’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 0

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ বেশি হতো বলে দাবি করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দাম কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের একটি টাউন হল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম অনেক বেশি।’ তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হলে পেট্রোলের দাম কমতে শুরু করবে বলে তিনি মনে করেন।

জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলাকে দায়ী করেন ভ্যান্স। তার ভাষায়, একটি দেশ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে, এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি।

ভ্যান্স বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ সচল রাখতে মার্কিন নৌবাহিনী কাজ না করলে পেট্রোলের দাম তিন গুণ বেশি হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি সেখান থেকে চলে যাই এবং ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দিই, তাহলে আপনাদের পেট্রোলের জন্য অনেক বেশি অর্থ খরচ করতে হবে।’

ভ্যান্স জানান, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার। পাশাপাশি ইরান যাতে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন না করে, সে বিষয়ে দেশটির কাছ থেকে যাচাইযোগ্য প্রতিশ্রুতি আদায় করাও ওয়াশিংটনের লক্ষ্য।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। এ পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘মার্কিন নৌবাহিনী না থাকলে জ্বালানি তেলের দাম তিন গুণ হতো’

আপডেট সময় : ১২:৫৭:৪৮ অপরাহ্ন, রোববার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি না থাকলে যুক্তরাষ্ট্রে পেট্রোলের দাম বর্তমানের তুলনায় তিন গুণ বেশি হতো বলে দাবি করেছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। একইসঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দাম কমে আসবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএসের একটি টাউন হল অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে জ্বালানির দাম অনেক বেশি।’ তবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হলে পেট্রোলের দাম কমতে শুরু করবে বলে তিনি মনে করেন।

জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া এবং তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের হামলাকে দায়ী করেন ভ্যান্স। তার ভাষায়, একটি দেশ বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করছে, এমন পরিস্থিতি আগে কখনো দেখা যায়নি।

ভ্যান্স বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ সচল রাখতে মার্কিন নৌবাহিনী কাজ না করলে পেট্রোলের দাম তিন গুণ বেশি হতো।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি সেখান থেকে চলে যাই এবং ইরানকে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে দিই, তাহলে আপনাদের পেট্রোলের জন্য অনেক বেশি অর্থ খরচ করতে হবে।’

ভ্যান্স জানান, হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত রাখা যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার। পাশাপাশি ইরান যাতে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন না করে, সে বিষয়ে দেশটির কাছ থেকে যাচাইযোগ্য প্রতিশ্রুতি আদায় করাও ওয়াশিংটনের লক্ষ্য।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহণপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল ও গ্যাস আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ করা হয়। এ পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম ও সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।