ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে আরো উৎসাহিত করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • / 7

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে আরো উৎসাহিত করতে হবে। রক্ত দিলে শরীরের ক্ষতি হয় এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একজনের দেওয়া রক্ত অন্য একজনের জীবন বাঁচাতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে যেন রক্তের সংকট তৈরি না হয়, সে জন্য পর্যাপ্ত রক্ত সংগ্রহ ও মজুতের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে বাংলদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রক্ত ও কর্নিয়া সংগ্রহে বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বাবলম্বী হতে চায় সরকার। এ জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত রক্তের মজুত নিশ্চিত করতে হবে। যাতে রক্তের অভাবে একজন মানুষকেও প্রাণ হারাতে না হয়।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে বর-কনের রক্ত পরীক্ষা বা বাহক শনাক্তকরণের বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সহযোগিতা দেবে।

অনুষ্ঠানে সন্ধানীসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার সহযোগিতা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে আরো উৎসাহিত করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:১১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, স্বেচ্ছায় রক্তদানে মানুষকে আরো উৎসাহিত করতে হবে। রক্ত দিলে শরীরের ক্ষতি হয় এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। একজনের দেওয়া রক্ত অন্য একজনের জীবন বাঁচাতে পারে। জরুরি প্রয়োজনে যেন রক্তের সংকট তৈরি না হয়, সে জন্য পর্যাপ্ত রক্ত সংগ্রহ ও মজুতের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

সোমবার (২ নভেম্বর) জাতীয় স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস উপলক্ষে বাংলদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘রক্তদানে জীবনের জয়গান, চক্ষুদানে আলোর সন্ধান’।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, রক্ত ও কর্নিয়া সংগ্রহে বিদেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্বাবলম্বী হতে চায় সরকার। এ জন্য স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদানে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি পর্যাপ্ত রক্তের মজুত নিশ্চিত করতে হবে। যাতে রক্তের অভাবে একজন মানুষকেও প্রাণ হারাতে না হয়।

তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে বর-কনের রক্ত পরীক্ষা বা বাহক শনাক্তকরণের বিষয়েও সচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সহযোগিতা দেবে।

অনুষ্ঠানে সন্ধানীসহ সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের প্রশংসা করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সরকার সহযোগিতা করবে।