ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজারে কমেছে ডিমে, আগের দামেই মাছ-মাংস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 11

রাজধানীর বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের দাম একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে, তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম কিছুটা কমেছে। সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। একইসঙ্গে সপ্তাহ ব্যবধানে সোনালি কক মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন তথ্য।

ব্যবসায়ীদের দাবি— আবহাওয়া, পরিবহন ব্যয় এবং বিভিন্ন বাজারে সরবরাহের তারতম্যের কারণে সবজির দামে ওঠানামা করছে। কোনো কোনো সবজি দ্রুত নষ্ট হওয়ায় বিক্রি না হলে লোকসানের আশঙ্কাও থাকে। ফলে দিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী অনেক সময় দাম নির্ধারণ করতে হয়। তবে ক্রেতাদের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হলে এবং পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা গেলে সবজির দাম আরও সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে।

মূলত, সরকারের কাছে মূল্যস্ফীতি কমার তথ্য থাকলেও বাজারে গিয়ে তা টের পাচ্ছেন না ক্রেতারা। গেল মাসে অতিবৃষ্টির কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার খানিকটা রেশ রাজধানীর বাজারে এখনও আছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহন ও উৎপাদনের খরচ বেড়েছে।

মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। সম্প্রতি বিবিএস জুলাই মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। সরকারি ভাবে মূল্যস্ফীতি কমার তথ্য থাকলেও বাজারে গিয়ে তা টের পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

জুলাই মাসে অতিবৃষ্টির কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।যার প্রভাব এখনও আছে রাজধানীর বাজারে। চলতি বছর জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহন ও উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে পণ্যের বাজারে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজির কেজি এখনও ৮০ টাকা, এমনকি কিছু পদের দাম শতকের ঘর ছাড়িয়ে গেছে। টমেটো, গাজর, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতার বাড়তি দর নিত্যদিনের কেনাকাটায় ক্রেতাদের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বাজারে বেগুন প্রতিকেজি ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৪০ টাকা, টমেটো কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, করলা কেজিতে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পটল, ঢেঁড়স, কাকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, আলু ৩০ টাকা ও পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, বটবটি ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা কেজি ৩০০ টাকা ও হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ টাকা, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস ও ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে শিম ও ফুলকপি। শিম ২০০ টাকা কেজি এবং ছোট আকারের ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ২০ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে মুরগি ৩২০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৪০ টাকা, ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ ১৯০ টাকা ও দেশি মুরগি ৭৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। আজ একটু বেড়েছে। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

যোগান সংকটের অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে মিঠা পানির বড় মাছের দাম কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। পুকুরে চাষ করা পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ওজন ভেদে রুই ৩০০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাঙাশ মাছ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে ১৮০ কেজি বিক্রি হতো। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। আর তেলাপিয়া তো কয়েক মাসের ব্যবধানে ৬০ টাকা বেড়েছে। তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১১০০ টাকা থেকে ১২০০, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮৯০ থেকে ২০০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করে। সকালে মাছের এক দাম, আবার বিকেলে আরেক দাম থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বাজারে কমেছে ডিমে, আগের দামেই মাছ-মাংস

আপডেট সময় : ০২:৫৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর বাজারে এখনো স্বস্তি ফেরেনি। মাছ ও মাংসের দামে বড় কোনো পরিবর্তন নেই, আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। মাছের দাম একদিন ২০ থেকে ৩০ টাকা কমছে, তো পরদিনই আবার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সবজির দাম কিছুটা কমেছে। সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। একইসঙ্গে সপ্তাহ ব্যবধানে সোনালি কক মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর শেওড়াপাড়া ও তালতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাজধানীর বেশকিছু বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন তথ্য।

ব্যবসায়ীদের দাবি— আবহাওয়া, পরিবহন ব্যয় এবং বিভিন্ন বাজারে সরবরাহের তারতম্যের কারণে সবজির দামে ওঠানামা করছে। কোনো কোনো সবজি দ্রুত নষ্ট হওয়ায় বিক্রি না হলে লোকসানের আশঙ্কাও থাকে। ফলে দিনের বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী অনেক সময় দাম নির্ধারণ করতে হয়। তবে ক্রেতাদের দাবি, বাজারে নিয়মিত তদারকি বাড়ানো হলে এবং পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি বন্ধ করা গেলে সবজির দাম আরও সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে।

মূলত, সরকারের কাছে মূল্যস্ফীতি কমার তথ্য থাকলেও বাজারে গিয়ে তা টের পাচ্ছেন না ক্রেতারা। গেল মাসে অতিবৃষ্টির কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার খানিকটা রেশ রাজধানীর বাজারে এখনও আছে। এ ছাড়া জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহন ও উৎপাদনের খরচ বেড়েছে।

মূল্যস্ফীতি কমলেও বাজারে স্বস্তি পাচ্ছেন না ক্রেতারা। সম্প্রতি বিবিএস জুলাই মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, জুলাইয়ে সার্বিক মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে ৮ দশমিক ৩২ শতাংশে নেমেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৬ শতাংশে। সরকারি ভাবে মূল্যস্ফীতি কমার তথ্য থাকলেও বাজারে গিয়ে তা টের পাচ্ছেন না ক্রেতারা।

জুলাই মাসে অতিবৃষ্টির কারণে দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়।যার প্রভাব এখনও আছে রাজধানীর বাজারে। চলতি বছর জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাসের দাম বাড়ায় পণ্য পরিবহন ও উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। যার প্রভাব পড়েছে পণ্যের বাজারে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজির কেজি এখনও ৮০ টাকা, এমনকি কিছু পদের দাম শতকের ঘর ছাড়িয়ে গেছে। টমেটো, গাজর, কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতার বাড়তি দর নিত্যদিনের কেনাকাটায় ক্রেতাদের অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বাজারে বেগুন প্রতিকেজি ৪০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১৪০ টাকা, টমেটো কেজিপ্রতি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা, করলা কেজিতে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

পটল, ঢেঁড়স, কাকরোল ও ঝিঙা মানভেদে কেজিপ্রতি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, পেঁপে ৪০ টাকা, আলু ৩০ টাকা ও পেঁয়াজ ৫৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৬০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৮০ টাকা, বটবটি ৮০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক হালি লেবু ১০ থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি ধনেপাতা কেজি ৩০০ টাকা ও হাইব্রিড ধনেপাতা ২৪০ টাকা, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকা পিস ও ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলেও চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে শিম ও ফুলকপি। শিম ২০০ টাকা কেজি এবং ছোট আকারের ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা পিস বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লাল শাক আঁটি ২০ টাকা, লাউ শাক আঁটি ৫০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ৩০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সোনালি কক মুরগি কেজিতে ১০ টাকা কমে মুরগি ৩২০ টাকা ও সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লাল লেয়ার ৩৪০ টাকা, ব্রয়লার মুরগির গত সপ্তাহে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও আজ ১৯০ টাকা ও দেশি মুরগি ৭৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা আনিস আহমেদ বলেন, গত সপ্তাহে তুলনায় এই সপ্তাহে মুরগির দাম কিছুটা কম ছিল। আজ একটু বেড়েছে। তারপরও ব্রয়লার ১৯০ থেকে ১৯৫ টাকায় বিক্রি করছি। গত সপ্তাহে কেজি ছিল ২০০ টাকা। সোনালি মুরগির দাম আগের মতোই আছে। ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি।

এসব বাজারে এক ডজন মুরগির লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা, হাঁসের ডিম এক ডজন ২০০ টাকা, দেশি মুরগির ডিমের হালি ১০০ টাকা ও সোনালি কক মুরগির ডিম হালি ৭০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

যোগান সংকটের অজুহাতে সপ্তাহের ব্যবধানে মিঠা পানির বড় মাছের দাম কেজিতে দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত। পুকুরে চাষ করা পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ২৩০ টাকা, তেলাপিয়া ২৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে চিংড়ির কেজি ৮০০ থেকে ৯০০, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০, ওজন ভেদে রুই ৩০০ থেকে ৫০০ ও ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে। এ ছাড়া, রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে।

পাঙাশ মাছ কিনতে আসা রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে ১৮০ কেজি বিক্রি হতো। এখন ২০০ টাকার নিচে নেই। আর তেলাপিয়া তো কয়েক মাসের ব্যবধানে ৬০ টাকা বেড়েছে। তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে ইলিশ ৩০০ গ্রাম ওজনের ১ কেজি মাছ ১১০০ টাকা থেকে ১২০০, ৫০০ থেকে ৭০০ গ্রামের ইলিশ ১৮৯০ থেকে ২০০০ টাকা এবং ১ কেজি ওজনের ইলিশ ২৮০০ থেকে ৩০০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

রায়ের বাজারের মাছ বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন বলেন, আজকে মাছের দাম আগের মতোই আছে। কিছু মাছের দাম সব সময় বেশি থাকে। ২০ থেকে ৩০ টাকা ওঠানামা করে। সকালে মাছের এক দাম, আবার বিকেলে আরেক দাম থাকে।