ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, রোববার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া অর্থ দিল সরকার

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 6

অসবরে যাওয়া শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হলো। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণের বকেয়া টাকা চেয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার আবেদনের বিপরীতে তারেক রহমানের সরকার ২ হাজার ৩৫ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাবের অনুকূলে ছাড় করেছে। এক্ষেত্রে একজন সর্বোচ্চ ছয় লাখ টাকা করেও পেয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসামানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফটওয়্যার সিস্টেমে ক্লিক করে এর উদ্বোধন করেন। এ সময় অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন ৬৪ জেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। পরে ১০ জন শিক্ষকের হাতে স্মারক চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভুয়া শিক্ষক দেখিয়ে তহবিলের টাকা আত্মসাৎ করার নজির আছে অবসর সুবিধা বোর্ডের। এছাড়াও কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একেকজনকে একাধিকবার টাকা দেওয়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে। শিক্ষকদের দেওয়া চাঁদার টাকা নির্দিষ্ট ব্যাংকে না রেখে কর্মকর্তাদের ব্যাক্তিগত অ্যাকাউন্টে নিয়ে ৭ হাজার কোটি টাকা নয়-ছয়ের মতো ঘটনাও ঘটে। এখন থেকে বন্ধ হবে এই দুর্নীতি; নিয়মিত অর্থ পাবেন অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া অর্থ দিল সরকার

আপডেট সময় : ০৩:১২:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬

অসবরে যাওয়া শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি শেষ হলো। বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের অবসর ও কল্যাণের বকেয়া টাকা চেয়ে ১ লাখ ২৩ হাজার আবেদনের বিপরীতে তারেক রহমানের সরকার ২ হাজার ৩৫ কোটি টাকা ব্যাংক হিসাবের অনুকূলে ছাড় করেছে। এক্ষেত্রে একজন সর্বোচ্চ ছয় লাখ টাকা করেও পেয়েছেন।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ওসামানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সফটওয়্যার সিস্টেমে ক্লিক করে এর উদ্বোধন করেন। এ সময় অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন ৬৪ জেলার সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তারা। পরে ১০ জন শিক্ষকের হাতে স্মারক চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভুয়া শিক্ষক দেখিয়ে তহবিলের টাকা আত্মসাৎ করার নজির আছে অবসর সুবিধা বোর্ডের। এছাড়াও কর্মকর্তাদের যোগসাজশে একেকজনকে একাধিকবার টাকা দেওয়ার ঘটনাও ধরা পড়েছে। শিক্ষকদের দেওয়া চাঁদার টাকা নির্দিষ্ট ব্যাংকে না রেখে কর্মকর্তাদের ব্যাক্তিগত অ্যাকাউন্টে নিয়ে ৭ হাজার কোটি টাকা নয়-ছয়ের মতো ঘটনাও ঘটে। এখন থেকে বন্ধ হবে এই দুর্নীতি; নিয়মিত অর্থ পাবেন অবসরে যাওয়া বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীরা।