ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তুরস্কের মাঠে ইতালির বড় জয়

স্পোর্টস ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1

ইতালির ডাগআউটে রবার্তো মানচিনির নতুন অধ্যায়ের শুরুটা ছিল পরাজয়ে। তবে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়াল তার দল। তুরস্কের মাঠে দাপুটে ফুটবলে একের পর এক গোল দিয়ে জয় নিয়েই ম্যাচ শেষ করল চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

বুরসায় সোমবার রাতে ইউয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারায় ইতালি। এর তিনটি গোল তারা করে প্রথম আধঘণ্টার মধ্যে। পরে তুরস্ক একটি শোধ করলেও ম্যাচের ফলে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।

ম্যাচজুড়ে অবশ্য বল দখলের লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিল স্বাগতিক দেশটি। তবে গোলের জন্য ১০টি শট করে আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে ইতালি। এর মধ্যে ৬টি শট লক্ষ্যে রেখে ৪টি গোল আদায় করে নেয় তারা।

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে নবম মিনিটেই ইতালিকে এগিয়ে দেন আলেজান্দ্রো বাস্তোনি। এর আগের মিনিটে পিও এস্পোসিতোর শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় কর্নারের বিনিময়ে ফেরায় তুরস্ক। সেখান থেকে উড়ে আসা বল ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেনি তারা।

জালের প্রায় ১০ গজ দূরে বল পেয়ে দারুণ শটে জাল কাঁপান বাস্তোনি। এরপর ২২ মিনিটের মাথায় জাল খুঁজে নেন ডেভিড ফ্রাত্তেসি। পাঁচ মিনিট পর স্কোরলাইন ৩-০ করে দেন মাইকেল কায়োদে। ম্যাচের আধঘণ্টা হওয়ার আগেই দাপট জানান দেয় ইতালি।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে অবশ্য শুরুতেই একটি গোল হজম করে সবশেষ ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা। তুরস্কের হয়ে স্কোরশিটে নাম তোলেন বারিস ইলমাজ। তবে তিন মিনিটের মধ্যে আবারও তুরস্কের জাল কাঁপায় ইতালি।

এবার গোল করেন পিও এস্পোসিতো। ম্যাচের বাকি ৪০ মিনিটে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দুই ম্যাচে ইতালির এটিই প্রথম জয়। আপাতত টেবিলের তিন নম্বরে আছে তারা। এখনও জয়ের মুখ না দেখা তুরস্ক সবার নিচে। পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে ফ্রান্স।

নিউজটি শেয়ার করুন

তুরস্কের মাঠে ইতালির বড় জয়

আপডেট সময় : ১২:৩৮:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ইতালির ডাগআউটে রবার্তো মানচিনির নতুন অধ্যায়ের শুরুটা ছিল পরাজয়ে। তবে পরের ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়াল তার দল। তুরস্কের মাঠে দাপুটে ফুটবলে একের পর এক গোল দিয়ে জয় নিয়েই ম্যাচ শেষ করল চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।

বুরসায় সোমবার রাতে ইউয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে তুরস্ককে ৪-১ গোলে হারায় ইতালি। এর তিনটি গোল তারা করে প্রথম আধঘণ্টার মধ্যে। পরে তুরস্ক একটি শোধ করলেও ম্যাচের ফলে তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি।

ম্যাচজুড়ে অবশ্য বল দখলের লড়াইয়ে কিছুটা এগিয়েই ছিল স্বাগতিক দেশটি। তবে গোলের জন্য ১০টি শট করে আক্রমণে আধিপত্য বিস্তার করে ইতালি। এর মধ্যে ৬টি শট লক্ষ্যে রেখে ৪টি গোল আদায় করে নেয় তারা।

বৃষ্টিস্নাত ম্যাচে নবম মিনিটেই ইতালিকে এগিয়ে দেন আলেজান্দ্রো বাস্তোনি। এর আগের মিনিটে পিও এস্পোসিতোর শট দারুণ ক্ষিপ্রতায় কর্নারের বিনিময়ে ফেরায় তুরস্ক। সেখান থেকে উড়ে আসা বল ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেনি তারা।

জালের প্রায় ১০ গজ দূরে বল পেয়ে দারুণ শটে জাল কাঁপান বাস্তোনি। এরপর ২২ মিনিটের মাথায় জাল খুঁজে নেন ডেভিড ফ্রাত্তেসি। পাঁচ মিনিট পর স্কোরলাইন ৩-০ করে দেন মাইকেল কায়োদে। ম্যাচের আধঘণ্টা হওয়ার আগেই দাপট জানান দেয় ইতালি।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে অবশ্য শুরুতেই একটি গোল হজম করে সবশেষ ২০০৬ সালের বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়নরা। তুরস্কের হয়ে স্কোরশিটে নাম তোলেন বারিস ইলমাজ। তবে তিন মিনিটের মধ্যে আবারও তুরস্কের জাল কাঁপায় ইতালি।

এবার গোল করেন পিও এস্পোসিতো। ম্যাচের বাকি ৪০ মিনিটে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দুই ম্যাচে ইতালির এটিই প্রথম জয়। আপাতত টেবিলের তিন নম্বরে আছে তারা। এখনও জয়ের মুখ না দেখা তুরস্ক সবার নিচে। পূর্ণ ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ গ্রুপের শীর্ষে ফ্রান্স।