ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদায় নেবে মৌসুমি বায়ু, শেষভাগে বৃষ্টি ও লঘুচাপের আভাস

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০২:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 4

সারা বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুরো মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার সার্বিক পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

সংস্থাটির দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অক্টোবর মাসজুড়েই দেশের আবহাওয়ায় নানা বৈচিত্র্য ও রূপবদল দেখতে পাওয়া যাবে। মাসের প্রথমার্ধে তীব্র ভ্যাপসা গরম ও দেশের বিভিন্ন অংশে ক্ষণস্থায়ী বৃষ্টির আনাগোনা থাকলেও মধ্য অক্টোবরের মধ্যেই দেশ থেকে বিদায় নেবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। তবে বিদায়বেলার স্বস্তির পর মাসের শেষভাগে সাগরে তৈরি হতে পারে নতুন লঘুচাপ, যার প্রভাবে দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি ও সমুদ্র উত্তাল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এসব তথ্য জানায়।

বিডব্লিউওটি’র পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাসের প্রথম ১০ দিন অর্থাৎ পহেলা অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ দিনে গড়ে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কিছু স্থানে আকাশ সাময়িক মেঘলা থাকার পাশাপাশি প্রথম দুই দিন চট্টগ্রাম বিভাগের বেশিরভাগ এলাকায় মেঘলা আকাশ বিরাজ করবে। পুরো ১০ দিনজুড়েই আকাশে রোদ ও মেঘের আনাগোনা দেখা যাবে। এসময় চট্টগ্রাম, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে স্বল্পস্থায়ী খণ্ডকালীন বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে।

অন্যান্য বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকবে। বৃষ্টির সিংহভাগই দুপুর থেকে রাত ১২টার মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রথম দুই দিন চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ও স্থায়িত্ব বেশি হতে পারে। এ সময়ে গড়ে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা স্বাভাবিক রোদের দেখা মিলবে, যদিও চট্টগ্রাম বিভাগে শুরুতে রোদ কিছুটা কম থাকবে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক খরা দেখা যেতে পারে এবং রাজশাহী ও সিলেটের কিছু অংশে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিহীন সময়ে সারা দেশেই তীব্র ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে। ভোরের দিকে দেশের মধ্য ও উত্তর অঞ্চলের নদী অববাহিকায় নিয়মিত স্বাভাবিক কুয়াশা পড়তে পারে। তবে সব বৃষ্টিবহুল এলাকায় তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, মাসের দ্বিতীয় ১০ দিন অর্থাৎ ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো ও পরিষ্কার থাকতে পারে। খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে কিছুটা মেঘের আধিক্য থাকলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশ কম। অতি অল্প কিছু এলাকায় দুপুর থেকে রাত ১২টার মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে, যা প্রধানত চট্টগ্রাম অঞ্চলে সীমিত থাকবে। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে সারা দেশ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। তবে ১৪ অক্টোবরের পর টানা বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। পরবর্তীতে ১৯ ও ২০ অক্টোবরের দিকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কিছুটা বাড়তে পারে এবং সেখানে রোদ সামান্য কমে যেতে পারে। এই সময়ে দিনে গড়ে ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা রোদ থাকবে। সারা দেশে স্বাভাবিক খরা পরিস্থিতির পাশাপাশি বৃষ্টির বিরতিতে সামান্য ভ্যাপসা গরম থাকতে পারে। মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের নদী অববাহিকায় ভোরের কুয়াশা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ১৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি দুর্বল সিস্টেম বা লঘুচাপ তৈরির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রভাবে ১৭ অক্টোবরের পর থেকে গভীর সমুদ্র কিছুটা উত্তাল হতে পারে। বৃষ্টি হলে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মাসের শেষ ১০ দিন অর্থাৎ ২১ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের প্রথমার্ধে আবহাওয়া রূপ পরিবর্তন করতে পারে। ২১ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে দক্ষিণ ও মধ্য অঞ্চলে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও তুলনামূলক বেশি বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় একটি বৃষ্টি বলয় সক্রিয় হতে পারে এবং আকাশে রোদের পরিমাণ কমে দিনে ৪ থেকে ৮ ঘণ্টায় নেমে আসতে পারে। গভীর সমুদ্রও এই পাঁচ দিন উত্তাল থাকতে পারে এবং পাহাড়ি এলাকায় সামান্য পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তবে ২৫ অক্টোবরের পর থেকে সারা দেশের আকাশ পুনরায় পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে আসবে। শেষভাগে ভ্যাপসা গরম কিংবা তাপপ্রবাহের কোনো প্রভাব থাকবে না, তবে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে স্বাভাবিক খরা বজায় থাকতে পারে। নদী অববাহিকায় ভোরের কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকবে।

সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অক্টোবর মাসের শেষভাগের বৃষ্টিপাত, সমুদ্রের পরিস্থিতি, রোদ ও পাহাড়ধস সংক্রান্ত পূর্বাভাসগুলো সম্পূর্ণভাবে সাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া সম্ভাব্য সিস্টেম এবং এর গতিপথের ওপর নির্ভর করছে। সাগরে লঘুচাপ বা নিম্নচাপ তৈরির সময় ও গতিপথ পরিবর্তিত হলে পূর্বাভাসের এই অংশটিতে পরিবর্তন আসতে পারে। আবহাওয়া যেহেতু প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, তাই দীর্ঘমেয়াদি এই পূর্বাভাসের সঙ্গে সঙ্গে হালনাগাদ তথ্যের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিডব্লিউওটি। সমগ্র অক্টোবর মাসে দেশে কোনো বন্যা, গ্রহণ কিংবা শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেও নিশ্চিত করেছে ওয়েদার অবজারভেশন টিম।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদায় নেবে মৌসুমি বায়ু, শেষভাগে বৃষ্টি ও লঘুচাপের আভাস

আপডেট সময় : ০২:৫১:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

সারা বাংলাদেশ ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজ ১ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত পুরো মাসের দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়ার সার্বিক পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি)।

সংস্থাটির দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি অক্টোবর মাসজুড়েই দেশের আবহাওয়ায় নানা বৈচিত্র্য ও রূপবদল দেখতে পাওয়া যাবে। মাসের প্রথমার্ধে তীব্র ভ্যাপসা গরম ও দেশের বিভিন্ন অংশে ক্ষণস্থায়ী বৃষ্টির আনাগোনা থাকলেও মধ্য অক্টোবরের মধ্যেই দেশ থেকে বিদায় নেবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু। তবে বিদায়বেলার স্বস্তির পর মাসের শেষভাগে সাগরে তৈরি হতে পারে নতুন লঘুচাপ, যার প্রভাবে দেশের দক্ষিণ ও মধ্যাঞ্চলে বৃষ্টিপাত বৃদ্ধি ও সমুদ্র উত্তাল হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ওয়েদার অবজারভেশন টিম (বিডব্লিউওটি) এসব তথ্য জানায়।

বিডব্লিউওটি’র পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাসের প্রথম ১০ দিন অর্থাৎ পহেলা অক্টোবর থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকার আকাশ দিনে গড়ে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। কিছু স্থানে আকাশ সাময়িক মেঘলা থাকার পাশাপাশি প্রথম দুই দিন চট্টগ্রাম বিভাগের বেশিরভাগ এলাকায় মেঘলা আকাশ বিরাজ করবে। পুরো ১০ দিনজুড়েই আকাশে রোদ ও মেঘের আনাগোনা দেখা যাবে। এসময় চট্টগ্রাম, বরিশাল, ঢাকা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগে স্বল্পস্থায়ী খণ্ডকালীন বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে।

অন্যান্য বিভাগে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকবে। বৃষ্টির সিংহভাগই দুপুর থেকে রাত ১২টার মধ্যে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রথম দুই দিন চট্টগ্রাম বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ও স্থায়িত্ব বেশি হতে পারে। এ সময়ে গড়ে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা স্বাভাবিক রোদের দেখা মিলবে, যদিও চট্টগ্রাম বিভাগে শুরুতে রোদ কিছুটা কম থাকবে। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে স্বাভাবিক খরা দেখা যেতে পারে এবং রাজশাহী ও সিলেটের কিছু অংশে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বৃষ্টিহীন সময়ে সারা দেশেই তীব্র ভ্যাপসা গরম অনুভূত হবে। ভোরের দিকে দেশের মধ্য ও উত্তর অঞ্চলের নদী অববাহিকায় নিয়মিত স্বাভাবিক কুয়াশা পড়তে পারে। তবে সব বৃষ্টিবহুল এলাকায় তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় সর্বসাধারণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, মাসের দ্বিতীয় ১০ দিন অর্থাৎ ১১ অক্টোবর থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আবহাওয়ার সার্বিক পরিস্থিতি মোটামুটি ভালো ও পরিষ্কার থাকতে পারে। খুলনা, বরিশাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে কিছুটা মেঘের আধিক্য থাকলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা বেশ কম। অতি অল্প কিছু এলাকায় দুপুর থেকে রাত ১২টার মধ্যে হালকা বৃষ্টি হতে পারে, যা প্রধানত চট্টগ্রাম অঞ্চলে সীমিত থাকবে। আগামী ১৪ অক্টোবরের মধ্যে সারা দেশ থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু পুরোপুরি বিদায় নিতে পারে। তবে ১৪ অক্টোবরের পর টানা বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই। পরবর্তীতে ১৯ ও ২০ অক্টোবরের দিকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কিছুটা বাড়তে পারে এবং সেখানে রোদ সামান্য কমে যেতে পারে। এই সময়ে দিনে গড়ে ৬ থেকে ৯ ঘণ্টা রোদ থাকবে। সারা দেশে স্বাভাবিক খরা পরিস্থিতির পাশাপাশি বৃষ্টির বিরতিতে সামান্য ভ্যাপসা গরম থাকতে পারে। মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের নদী অববাহিকায় ভোরের কুয়াশা অব্যাহত থাকবে। এছাড়া ১৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে একটি দুর্বল সিস্টেম বা লঘুচাপ তৈরির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে, যার প্রভাবে ১৭ অক্টোবরের পর থেকে গভীর সমুদ্র কিছুটা উত্তাল হতে পারে। বৃষ্টি হলে মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকায় নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া মাসের শেষ ১০ দিন অর্থাৎ ২১ অক্টোবর থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সময়ের প্রথমার্ধে আবহাওয়া রূপ পরিবর্তন করতে পারে। ২১ থেকে ২৫ অক্টোবরের মধ্যে দক্ষিণ ও মধ্য অঞ্চলে মেঘাচ্ছন্ন আকাশ ও তুলনামূলক বেশি বৃষ্টিপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এসময় একটি বৃষ্টি বলয় সক্রিয় হতে পারে এবং আকাশে রোদের পরিমাণ কমে দিনে ৪ থেকে ৮ ঘণ্টায় নেমে আসতে পারে। গভীর সমুদ্রও এই পাঁচ দিন উত্তাল থাকতে পারে এবং পাহাড়ি এলাকায় সামান্য পাহাড়ধসের আশঙ্কা রয়েছে। তবে ২৫ অক্টোবরের পর থেকে সারা দেশের আকাশ পুনরায় পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা কমে আসবে। শেষভাগে ভ্যাপসা গরম কিংবা তাপপ্রবাহের কোনো প্রভাব থাকবে না, তবে রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে স্বাভাবিক খরা বজায় থাকতে পারে। নদী অববাহিকায় ভোরের কুয়াশার দাপট অব্যাহত থাকবে।

সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, অক্টোবর মাসের শেষভাগের বৃষ্টিপাত, সমুদ্রের পরিস্থিতি, রোদ ও পাহাড়ধস সংক্রান্ত পূর্বাভাসগুলো সম্পূর্ণভাবে সাগরে সৃষ্টি হতে যাওয়া সম্ভাব্য সিস্টেম এবং এর গতিপথের ওপর নির্ভর করছে। সাগরে লঘুচাপ বা নিম্নচাপ তৈরির সময় ও গতিপথ পরিবর্তিত হলে পূর্বাভাসের এই অংশটিতে পরিবর্তন আসতে পারে। আবহাওয়া যেহেতু প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল, তাই দীর্ঘমেয়াদি এই পূর্বাভাসের সঙ্গে সঙ্গে হালনাগাদ তথ্যের দিকে নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছে বিডব্লিউওটি। সমগ্র অক্টোবর মাসে দেশে কোনো বন্যা, গ্রহণ কিংবা শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বলেও নিশ্চিত করেছে ওয়েদার অবজারভেশন টিম।