ইউরোপে অস্থিরতা, বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি

- আপডেট সময় : ১১:৩৮:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
- / 1
ইউরোপের বিভিন্ন দেশে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও রাজনৈতিক-সামাজিক অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। দেশের মোট পোশাক রফতানির প্রায় অর্ধেকই যায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বাজারে। ফলে ওই অঞ্চলে ভোক্তাদের ব্যয় কমে যাওয়া, পণ্য কেনার প্রবণতায় পরিবর্তন কিংবা ব্যবসায়িক কার্যক্রমে বিঘ্ন তৈরি হলে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে ইউরোপের কয়েকটি বড় বাজারে আগে থেকেই রফতানি কমার প্রবণতা থাকায় নতুন অনিশ্চয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন শিল্পসংশ্লিষ্টরা।
গত ১৭ অক্টোবর ফ্রান্সের প্যারিস, লিওঁ, মার্সেই ও লিমোজসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, দোকানপাটে লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, সরকারি সেবার মান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি নিয়ে অসন্তোষ থেকে এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এদিন পুড়িয়ে দেওয়া হয় দেড় শতাব্দী পুরোনো লিমোজের ঐতিহ্যবাহী সিটি হল।
একই দিনে ইতালির মিলানেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি ও যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভ সহিংস রূপ নেয়। শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতির কারণে ক্রেতা ও পর্যটকদের আনাগোনায় ব্যস্ত পিয়াজ্জা দেল দুয়োমো এবং আশপাশের বিলাসপণ্যের বিপণিবিতানগুলো খালি হয়ে যায়। ফ্রান্স ও ইতালির পাশাপাশি বেলজিয়াম ও পর্তুগালেও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে।
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের জন্য ইউরোপ গুরুত্বপূর্ণ বাজার। তবে চলমান অস্থিরতার কারণে সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন ও স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হলে পণ্য বিক্রিতে প্রভাব পড়তে পারে। এতে বাংলাদেশের রফতানিকারকদের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যদিও অস্থিরতা কত দিন চলবে এবং আমদানি চাহিদার ওপর এর প্রভাব কতটা পড়বে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিতে পর্যটকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। অস্থিরতার কারণে পর্যটন ও মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হলে পণ্য বিক্রি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে বাংলাদেশের রফতানিকারকদেরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে এবং ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট তৈরি পোশাক রফতানির ৪৯ দশমিক ২৫ শতাংশ গেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোয়। এ সময়ে ইইউর বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রফতানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৯০৬ কোটি ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় এ রফতানি কমেছে ৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।
ইইউর বড় বাজারগুলোর মধ্যে জার্মানিতে বাংলাদেশের মোট পোশাক রফতানির ১১ দশমিক ৩২ শতাংশ, স্পেনে ৯ দশমিক ৩১ শতাংশ, নেদারল্যান্ডসে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, ফ্রান্সে ৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ এবং ইতালিতে ৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ গেছে।
বছরওয়ারি হিসাবে জার্মানিতে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি কমেছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ। ফ্রান্সে এ হার ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ এবং ইতালিতে ৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। অর্থাৎ সাম্প্রতিক অস্থিরতার আগেই ইউরোপের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে বাংলাদেশের রফতানি নিম্নমুখী ছিল। নতুন পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে এ বাজারগুলোয় ব্যবসা আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।
তবে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে ইইউর বাজারে রফতানিতে কিছুটা প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসে ইইউর দেশগুলোয় বাংলাদেশ ৪৯০ কোটি ৪০ লাখ ডলারের তৈরি পোশাক রফতানি করেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এ পরিমাণ ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি।
এ সময়ে স্পেনে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে ১৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ। নেদারল্যান্ডসে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ, পোল্যান্ডে ৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ এবং সুইডেনে ১৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ। বিপরীতে ফ্রান্সে রফতানি কমেছে ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ, ইতালিতে ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং জার্মানিতে দশমিক ১৫ শতাংশ। অর্থাৎ সামগ্রিকভাবে রফতানি বাড়লেও ইইউর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এখনো চ্যালেঞ্জের মুখে।
বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে তৈরি পোশাক রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান এমএস ডায়িং প্রিন্টিং অ্যান্ড ফিনিশিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মামুনুর রশিদ জানিয়েছেন, ইউরোপের বর্তমান পরিস্থিতির প্রভাব তারা অনুভব করছেন। তাঁর ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানের হাতে থাকা অর্ডারের পরিমাণ নিয়মিত সময়ের তুলনায় কম। তবে এ সমস্যা শুধু সাম্প্রতিক অস্থিরতার কারণে তৈরি হয়নি; এর আগে থেকেই বাজারের মন্দার কারণে অর্ডার কম ছিল। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় প্রতিষ্ঠানটি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি।
বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্ডার কমে যাওয়ার পেছনে ইউরোপের বর্তমান অস্থিরতার প্রভাব কতটা, তা এখনই আলাদা করে নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে রফতানি খাতে বড় ধরনের সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্রয়কৌশলেও পরিবর্তন আসছে। শিল্পসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স ও প্রাইমার্কের মতো বড় ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে কেনা পোশাকের একটি অংশ ভারত, মিসরসহ অন্যান্য দেশে সরিয়ে নিচ্ছে। ক্রেতারা এখন একক কোনো দেশের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে উৎপাদন ও পণ্য সংগ্রহের উৎসে বৈচিত্র্য আনতে চাইছেন। পাশাপাশি পণ্যের দাম, সরবরাহের সময় এবং উৎপাদন ব্যয়ও তাদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।মানচিত্র দেখুন
রফতানিকারকদের মতে, বৈশ্বিক চাহিদার মন্থরতা ও ক্রেতাদের ব্যয় সাশ্রয়ের উদ্যোগের পাশাপাশি বাংলাদেশের উৎপাদন ব্যয় এবং জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তাও এ পরিবর্তনের পেছনে ভূমিকা রাখছে। ভারতসহ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোয় তুলনামূলক কম খরচে পণ্য উৎপাদন এবং ভবিষ্যতে বাণিজ্য সুবিধা বাড়ার সম্ভাবনাও ক্রয়াদেশ বণ্টনে প্রভাব ফেলছে। ইউরোপে অস্থিরতা বাড়তে থাকলে ক্রেতাদের কেনাকাটার সিদ্ধান্তে এর প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন শিল্পোদ্যোক্তারা।
ইউরোপীয় চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (ইউরোচেম) চেয়ারপারসন নুরিয়া লোপেজ মনে করেন, ইউরোপের অস্থিরতার সম্ভাব্য প্রভাবের পাশাপাশি বাংলাদেশের নিজস্ব প্রতিযোগিতা সক্ষমতা নিয়েও গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। তাঁর মতে, ইউরোপের পরিস্থিতি বাংলাদেশের রফতানিতে প্রভাব ফেলতে পারে, তবে এর প্রভাব শুধু বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্যবসা করা বিশ্বের অন্যান্য দেশও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
নুরিয়া লোপেজ বলেন, রাজনৈতিক মেরুকরণ, বিভিন্ন দেশে আসন্ন নির্বাচন, জীবনযাত্রার উচ্চ ব্যয় এবং ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি বাজারে তৈরি হওয়া চাপ বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। বাংলাদেশের পোশাক খাতের ক্ষেত্রে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট, শ্রম অসন্তোষ, মজুরি নিয়ে বিরোধ এবং ব্যবসার পরিবেশে স্থিতিশীলতার অভাব বড় চ্যালেঞ্জ। বিনিয়োগকারী ও ক্রেতাদের কাছে স্থিতিশীলতার শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরু করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিশ্চিত করা, রফতানি কার্যক্রমের নিরাপত্তা বাড়ানো এবং সরবরাহ ও পরিবহন ব্যবস্থা আধুনিক করা জরুরি। বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগী হিসেবে ভারতের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। বিশেষ করে তুলাভিত্তিক পোশাকের ক্রয়াদেশ বাংলাদেশ থেকে ভারতে সরে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। ইউরোপের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতি নতুন করে মূল্যায়ন করতে হবে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক আমদানির পরিসংখ্যানেও বাংলাদেশের রফতানির ওপর চাপের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানি কমেছে ৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ। একই সময়ে বাংলাদেশ থেকে ইইউর পোশাক আমদানির মূল্য ১ হাজার ৩৫০ কোটি ৪৫ লাখ ইউরো থেকে কমে ১ হাজার ১৯২ কোটি ৮০ লাখ ইউরোতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ আট মাসে বাংলাদেশ থেকে আমদানি কমেছে ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। ইইউর সামগ্রিক পোশাক আমদানি কমার তুলনায় বাংলাদেশ থেকে আমদানি হ্রাসের হার প্রায় তিন গুণ।
নিট পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ইউরোপের অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের রফতানির জন্য তা বড় উদ্বেগের কারণ হবে। এমনিতেই ইউরোপের বাজারে বিক্রি কমেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতির দুরবস্থার প্রভাব বাংলাদেশে পড়েছে।মানচিত্র দেখুন
রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের (র্যাপিড) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাকের মতে, ইউরোপের অস্থিরতার প্রভাব শুধু বাংলাদেশের ওপর পড়বে না; ইইউতে পোশাক রফতানি করা সব দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তেলের দাম বৃদ্ধির চাপ। শীতকালে ইউরোপে গ্যাসের চাহিদা ও দাম আরও বাড়তে পারে। মূল্যস্ফীতির চাপ এবং চলমান অস্থিরতা বিবেচনায় নিয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোয় ইউরোপের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে সংকোচন দেখা দিতে পারে।
বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি হওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার কথা উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে বাংলাদেশের বড় কোনো বিকল্প বাজার গড়ে ওঠেনি। ফলে ইইউর বাজারে চাহিদা কমে গেলে তার প্রভাব মোকাবেলা করা কঠিন হতে পারে।
অন্যদিকে, ইউরোপের অস্থিরতাকে সরাসরি বাজার সংকট হিসেবে দেখার সুযোগ নেই বলে মনে করেন ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ। তাঁর মতে, এ ধরনের বিক্ষোভ মূলত সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসন্তোষের বহিঃপ্রকাশ। কোনো দেশে অস্থিরতা দেখা দিলেই যে আমদানি কমে যাবে, তা নিশ্চিত নয়। তিনি উল্লেখ করেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে বাংলাদেশের পোশাক রফতানি বেড়েছে।
মোহাম্মদ হাসান আরিফ বলেন, অস্থিরতা দীর্ঘায়িত হলে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা আগে থেকে অনুমান করা কঠিন। ব্যবসা-বাণিজ্যে এ ধরনের সংকট আসতেই পারে। তাই বাংলাদেশের রফতানিকারকদের এসব পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং সম্ভাব্য সংকটের জন্য সব সময় প্রস্তুত থাকতে হবে।




















