ঢাকা ১০:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সংঘাত-সৃষ্ট ক্ষুধায় এক দিনে মারা যায় ২১ হাজার মানুষ

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪
  • / 163

বিশ্বে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফামের এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৬ই অক্টোবর) ‘ফুড ওয়ারর্স’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অক্সফাম।

প্রতিবেদনে ফিলিস্তিন ও সুদানসহ বিশ্বের ৫৪টি সংঘাতপ্রবণ দেশের ক্ষুধা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে অক্সফাম। সেখানে বলা হয়েছে, এসব দেশের ২৮ কোটি ১৬ লাখ মানুষের প্রায় সবাই এখন তীব্র ক্ষুধা পরিস্থিতিতে বাস করছে। আর ক্ষুধার কারণে প্রতিদিন ৭ থেকে ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

এছাড়া সংঘাতের কারণে এসব দেশে উদ্বাস্তু সমস্যাও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। অক্সফামের হিসাবে, দেশগুলোয় উদ্বাস্তুর সংখ্যা এখন ১১ কোটি ৭০ লাখে উন্নীত হয়েছে। অক্সফাম তাদের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতের কারণে শুধু ক্ষুধা বাড়ছে, এমনটা নয়। বরং সংঘাতপ্রবণ এলাকায় বিবদমান পক্ষগুলো খাবার, পানি ও জ্বালানি অবকাঠামোকে ‘অস্ত্র’ হিসেবেও ব্যবহার করছে। এমনকি অসহায় মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়ার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সংঘাত-সৃষ্ট ক্ষুধায় এক দিনে মারা যায় ২১ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ১২:৫২:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৪

বিশ্বে সংঘাতের কারণে সৃষ্ট ক্ষুধায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান অক্সফামের এক প্রতিবেদনে এমনই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্ব খাদ্য দিবস উপলক্ষে বুধবার (১৬ই অক্টোবর) ‘ফুড ওয়ারর্স’ শিরোনামের একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে অক্সফাম।

প্রতিবেদনে ফিলিস্তিন ও সুদানসহ বিশ্বের ৫৪টি সংঘাতপ্রবণ দেশের ক্ষুধা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছে অক্সফাম। সেখানে বলা হয়েছে, এসব দেশের ২৮ কোটি ১৬ লাখ মানুষের প্রায় সবাই এখন তীব্র ক্ষুধা পরিস্থিতিতে বাস করছে। আর ক্ষুধার কারণে প্রতিদিন ৭ থেকে ২১ হাজার মানুষের মৃত্যু হচ্ছে।

এছাড়া সংঘাতের কারণে এসব দেশে উদ্বাস্তু সমস্যাও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। অক্সফামের হিসাবে, দেশগুলোয় উদ্বাস্তুর সংখ্যা এখন ১১ কোটি ৭০ লাখে উন্নীত হয়েছে। অক্সফাম তাদের প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলেছে, সংঘাতের কারণে শুধু ক্ষুধা বাড়ছে, এমনটা নয়। বরং সংঘাতপ্রবণ এলাকায় বিবদমান পক্ষগুলো খাবার, পানি ও জ্বালানি অবকাঠামোকে ‘অস্ত্র’ হিসেবেও ব্যবহার করছে। এমনকি অসহায় মানুষের কাছে খাদ্য সহায়তা পৌছে দেওয়ার পথ রুদ্ধ করা হচ্ছে।