ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদাগাস্কারে নৌকাডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৪
  • / 139

আফ্রিকার দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলীয় দেশ মাদাগাস্কারে নৌকাডুবিতে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে এই প্রাণহানি হয়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নৌকা দুটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের অধিকাংশ ছিলেন সোমালিয়ার নাগরিক।

সোমালিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নৌকা দুটিতে মোট ৭০ জন যাত্রী ছিল। জীবিতদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সময় গত শনিবার মাদাগাস্কারের উত্তর উপকূলে ভারত মহাসগরে নৌকা দুটি খুঁজে পাওয়া যায়। এগুলোর ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমালিয়ার একজন সরকারি কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, জেলেরা জীবিতদের উদ্ধার করেছে। জীবিতরা জানিয়েছেন, তারা ফরাসি দ্বীপ মায়োতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সোমালি অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই বিপজ্জনক এই রুট ব্যবহার করেন।

হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলোতে বেকারত্ব এবং দারিদ্যের কারণে অনেকে উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে যায়। আর ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য বিপজ্জনক এই পথে চলাচলে বাধ্য হয়ে থাকেন অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মাদাগাস্কারে নৌকাডুবিতে ২৪ জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৪

আফ্রিকার দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলীয় দেশ মাদাগাস্কারে নৌকাডুবিতে অন্তত ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশটির উপকূলে দুটি নৌকা ডুবে এই প্রাণহানি হয়।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, নৌকা দুটিতে অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন। যাত্রীদের অধিকাংশ ছিলেন সোমালিয়ার নাগরিক।

সোমালিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নৌকা দুটিতে মোট ৭০ জন যাত্রী ছিল। জীবিতদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা চলছে।

স্থানীয় সময় গত শনিবার মাদাগাস্কারের উত্তর উপকূলে ভারত মহাসগরে নৌকা দুটি খুঁজে পাওয়া যায়। এগুলোর ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমালিয়ার একজন সরকারি কর্মকর্তা স্থানীয় গণমাধ্যমকে জানান, জেলেরা জীবিতদের উদ্ধার করেছে। জীবিতরা জানিয়েছেন, তারা ফরাসি দ্বীপ মায়োতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সোমালি অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রায়ই বিপজ্জনক এই রুট ব্যবহার করেন।

হর্ন অব আফ্রিকার দেশগুলোতে বেকারত্ব এবং দারিদ্যের কারণে অনেকে উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে যায়। আর ইউরোপে পৌঁছানোর জন্য বিপজ্জনক এই পথে চলাচলে বাধ্য হয়ে থাকেন অনেকে।