ঢাকা ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরবরাহ ভালো থাকলেও বেড়েছে সবজি, মুরগির দাম

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০১:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫
  • / 98

সরবরাহ ভালো থাকলেও রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজি দাম চড়া রয়েছে। সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। একইসঙ্গে গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি। তবে বাজারগুলোতে আলু ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার (৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ ভালো থাকলেও সপ্তাহ ব্যবধানে সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এসব বাজারে বেগুন প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর মুখী ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে সাজনা কেজিতে ১৪০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, কাঁচা আম ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান গাজর ১৫০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লেবুর হালি ১০ থেকে ২০ টাকা, ধনেপাতা ৩২০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা ও ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আদা ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, রসুন দেশি ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান ১৮০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারির ডাল ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮২ থেকে ৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা ও ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাজারে সবজির দাম গেল কিছুদিন যাবত বেড়ে গেছে। আজও বাড়তি দামে সবজি কিনলাম। কম দাম থাকতে থাকতে হঠাৎ করে কেন সব ধরনের সবজির দাম এতটা বেড়ে গেল বুঝতে পারছি না। তবুও বাধ্য হয়ে ১ কেজি, আধা কেজি করে কিছু সবজি কিনলাম। কিছুদিন আগেও সবজির দাম কম ছিল, কিন্তু গত দুই সপ্তাহ ধরে বলতে গেলে সবজি দাম বাড়তি যাচ্ছে।

সবজির দাম বৃদ্ধি বিষয়ে মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা রাজু আহমেদ বলেন, বেশ কিছু সবজির মৌসুম এখন প্রায় শেষ। যেসব সবজির মৌসুম শেষ হয়েছে সেগুলোর দাম বেড়েছে। মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে এসব সবজির সরবরাহ কিছুটা কম। ফলে সবজি গুলোর দাম বেড়েছে। নতুন মৌসুমের সবজি উঠার আগ পর্যন্ত কিছুটা বাড়তি থাকবে।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, সবধরনের সবজি আগের চেয়ে বাড়তি দামে আমাদের পাইকারি বাজার থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এখন এসব সবজির সরবরাহ কম এ কারণেই বাজারের দাম বেড়েছে। সবজির দাম বাড়ার পাশাপাশি আমাদের বিক্রির পরিমাণও কমে গেছে। আগে যেই ক্রেতা ১ কেজি সবজি কিনতো, এখন সেই ক্রেতাই আধা কেজি সবজি কিনে ফলে আমাদের বিক্রির পরিমাণ কমেছে। আগে যেখানে এক আইটেম সবজি ১০ কেজি ২০ কেজি করে আনতাম, দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এখন সেই সবজিই আমরা পাঁচ কেজি ৭ কেজি করে আনছি। তবে নতুন করে সবজি উঠতে শুরু করলে সবজির দাম কমে আসবে।

বাজারে সোনালি কক মুরগি ৩০০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৭০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগি ২৯০ টাকা, সাদা লেয়ার মুরগি ২৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে মাছের বাজারগুলো গত সপ্তাহের মতো দাম চড়া দেখা গেছে। এসব বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৭০০ টাকা, ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে এক কেজি শিং চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ টাকা, রুই দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকায় ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। রামপুরা বাজারে আসা ক্রেতা আব্দুল আলিম বলেন, মাংসের মধ্যে ব্রয়লার মুরগিই বেশি খাওয়া হয়। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে আমাদের। ব্রয়লার মুরগির দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো গরিব মানুষেরা সমস্যায় পড়ে যাচ্ছে।

আরেক ক্রেতা মমিনুর রহমান বলেন, অন্যান্য মাংসের দাম তো সবসময়ই বেশি থাকে। তার থেকে ব্রয়লারের দাম কম হওয়ায় সেটাই খাওয়া হয়। অথচ সেটার দামও এখন বাড়তি।

মুরগি বিক্রেতা জুয়েল আহমেদ বলেন, ঈদের পর ব্রয়লারের চাহিদা কিছুটা কম ছিল। এখন আবার চাহিদা বেড়েছে। তাই দামও কিছুটা বেড়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সরবরাহ ভালো থাকলেও বেড়েছে সবজি, মুরগির দাম

আপডেট সময় : ০১:৫০:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

সরবরাহ ভালো থাকলেও রাজধানীর বাজারগুলোতে সবজি দাম চড়া রয়েছে। সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। একইসঙ্গে গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুরগি। তবে বাজারগুলোতে আলু ও পেঁয়াজের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।

শুক্রবার (৪ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে সবজির দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালীন সবজির সরবরাহ ভালো থাকলেও সপ্তাহ ব্যবধানে সব ধরনের সবজি কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এসব বাজারে বেগুন প্রকারভেদে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ধুন্দল ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, কচুর লতি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর মুখী ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে সাজনা কেজিতে ১৪০ টাকা, ঝিঙা ৬০ টাকা, কাঁচা আম ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০ থেকে ৮০ টাকা ও পেঁপে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ১০০ টাকা, ইন্ডিয়ান গাজর ১৫০ টাকা, মুলা ৬০ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এসব বাজারে লেবুর হালি ১০ থেকে ২০ টাকা, ধনেপাতা ৩২০ টাকা কেজি, কাঁচা কলা হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ টাকা পিস, ক্যাপসিকাম ৩৫০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ টাকা ও মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে লাল শাক ১০ টাকা আঁটি, লাউ শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকা, কলমি শাক ২ আঁটি ২০ টাকা, পুঁই শাক ৩০ টাকা ও ডাটা শাক দুই আঁটি ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে আলু ২৫ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৫৫ টাকা ও ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ ৪৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে আদা ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা, রসুন দেশি ১৩০ টাকা, ইন্ডিয়ান ১৮০ টাকা, দেশি মশুর ডাল ১৪০ টাকা, মুগ ডাল ১৮০ টাকা, ছোলা ১১০ টাকা, খেসারির ডাল ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে মিনিকেট চাল প্রকারভেদে ৮২ থেকে ৯২ টাকা, নাজিরশাইল ৮৪ থেকে ৯০ টাকা, স্বর্ণা ৫৫ টাকা ও ২৮ বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে।

রাজধানীর শান্তিনগর বাজারে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে বাজার করতে এসেছেন বেসরকারি চাকরিজীবী আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, বাজারে সবজির দাম গেল কিছুদিন যাবত বেড়ে গেছে। আজও বাড়তি দামে সবজি কিনলাম। কম দাম থাকতে থাকতে হঠাৎ করে কেন সব ধরনের সবজির দাম এতটা বেড়ে গেল বুঝতে পারছি না। তবুও বাধ্য হয়ে ১ কেজি, আধা কেজি করে কিছু সবজি কিনলাম। কিছুদিন আগেও সবজির দাম কম ছিল, কিন্তু গত দুই সপ্তাহ ধরে বলতে গেলে সবজি দাম বাড়তি যাচ্ছে।

সবজির দাম বৃদ্ধি বিষয়ে মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা রাজু আহমেদ বলেন, বেশ কিছু সবজির মৌসুম এখন প্রায় শেষ। যেসব সবজির মৌসুম শেষ হয়েছে সেগুলোর দাম বেড়েছে। মৌসুম শেষ হওয়ায় বাজারে এসব সবজির সরবরাহ কিছুটা কম। ফলে সবজি গুলোর দাম বেড়েছে। নতুন মৌসুমের সবজি উঠার আগ পর্যন্ত কিছুটা বাড়তি থাকবে।

রামপুরা বাজারের সবজি বিক্রেতা আলমগীর হোসেন বলেন, সবধরনের সবজি আগের চেয়ে বাড়তি দামে আমাদের পাইকারি বাজার থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারে এখন এসব সবজির সরবরাহ কম এ কারণেই বাজারের দাম বেড়েছে। সবজির দাম বাড়ার পাশাপাশি আমাদের বিক্রির পরিমাণও কমে গেছে। আগে যেই ক্রেতা ১ কেজি সবজি কিনতো, এখন সেই ক্রেতাই আধা কেজি সবজি কিনে ফলে আমাদের বিক্রির পরিমাণ কমেছে। আগে যেখানে এক আইটেম সবজি ১০ কেজি ২০ কেজি করে আনতাম, দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে এখন সেই সবজিই আমরা পাঁচ কেজি ৭ কেজি করে আনছি। তবে নতুন করে সবজি উঠতে শুরু করলে সবজির দাম কমে আসবে।

বাজারে সোনালি কক মুরগি ৩০০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড মুরগি ২৭০ টাকা, লাল লেয়ার মুরগি ২৯০ টাকা, সাদা লেয়ার মুরগি ২৮০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৫০ টাকা ও দেশি মুরগি ৬৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারগুলোতে এক ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, হাঁসের ডিম ২২০ টাকা ও দেশি মুরগির ডিমের হালি ৯০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

এদিকে মাছের বাজারগুলো গত সপ্তাহের মতো দাম চড়া দেখা গেছে। এসব বাজারে এক কেজি ওজনের ইলিশ ২ হাজার ৭০০ টাকা, ৭০০ গ্রামের ইলিশ ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বাজারগুলোতে এক কেজি শিং চাষের (আকারভেদে) বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা, দেশি শিং ১০০০ টাকা, রুই দাম বেড়ে (আকারভেদে) ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা, দেশি মাগুর ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা, মৃগেল ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, চাষের পাঙাশ ২০০ থেকে ২৩০ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা, বোয়াল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, বড় কাতল ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায়, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়, তেলাপিয়া ২২০ টাকা, কই ২২০ থেকে ২৩০ টাকায়, মলা ৫০০ টাকা, বাতাসি টেংরা ১৩০০ টাকা, টেংরা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কাচকি ৫০০ টাকায় ও পাঁচ মিশালি মাছ ২২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে গরুর মাংস কেজি প্রতি ৭৮০ থেকে ৮০০ টাকা, গরুর কলিজা ৮০০ টাকা, গরুর মাথার মাংস ৪৫০ টাকা, গরুর বট ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা ও খাসির মাংস কেজি প্রতি ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করছেন ক্রেতারা। রামপুরা বাজারে আসা ক্রেতা আব্দুল আলিম বলেন, মাংসের মধ্যে ব্রয়লার মুরগিই বেশি খাওয়া হয়। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে আমাদের। ব্রয়লার মুরগির দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে আমাদের মতো গরিব মানুষেরা সমস্যায় পড়ে যাচ্ছে।

আরেক ক্রেতা মমিনুর রহমান বলেন, অন্যান্য মাংসের দাম তো সবসময়ই বেশি থাকে। তার থেকে ব্রয়লারের দাম কম হওয়ায় সেটাই খাওয়া হয়। অথচ সেটার দামও এখন বাড়তি।

মুরগি বিক্রেতা জুয়েল আহমেদ বলেন, ঈদের পর ব্রয়লারের চাহিদা কিছুটা কম ছিল। এখন আবার চাহিদা বেড়েছে। তাই দামও কিছুটা বেড়েছে।