ঢাকা ০৪:১৭ অপরাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গোপালগঞ্জে সহিংসতা: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, ৪০০ জন আসামি

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • / 85

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ও গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এতে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৪০০ জনকে। এর মধ্যে নাম প্রকাশ করা হয়েছে ৭৫ জনের; বাকিরা অজ্ঞাত।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি যাতে পুনরায় উত্তপ্ত না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা, সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বুধবার রাত ৮টা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল রয়েছে।

কারফিউতে জেলায় রাস্তাঘাটগুলো একদম ফাঁকা। এছাড়া দোকানপাটও তেমন খোলা নেই। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও গত রাতে বিভিন্ন এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি অংশ হিসেবে গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ যায় এনসিপি। তবে এই কর্মসূচি ঘিরে গোপালগঞ্জ সদরে ওইদিন সকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। কাছাকাছি সময়ে হামলা করা হয় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি বহরেও। এ দুই ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে জানায় গোপালগঞ্জ পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

গোপালগঞ্জে সহিংসতা: সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা, ৪০০ জন আসামি

আপডেট সময় : ০৩:১৭:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ও গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছে পুলিশ। এতে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে আরও ৪০০ জনকে। এর মধ্যে নাম প্রকাশ করা হয়েছে ৭৫ জনের; বাকিরা অজ্ঞাত।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মির মোহাম্মদ সাজেদুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হচ্ছে। পরিস্থিতি যাতে পুনরায় উত্তপ্ত না হয়, সেজন্য অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশ ঘিরে হামলা, সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে বুধবার রাত ৮টা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি করা হয়। পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে বেলা ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল রয়েছে।

কারফিউতে জেলায় রাস্তাঘাটগুলো একদম ফাঁকা। এছাড়া দোকানপাটও তেমন খোলা নেই। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের টহল কার্যক্রম ছিল চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও গত রাতে বিভিন্ন এলাকায় যৌথবাহিনীর অভিযানে প্রায় ৪৫ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচি অংশ হিসেবে গত ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ যায় এনসিপি। তবে এই কর্মসূচি ঘিরে গোপালগঞ্জ সদরে ওইদিন সকালে পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। কাছাকাছি সময়ে হামলা করা হয় সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি বহরেও। এ দুই ঘটনায় স্থানীয় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা জড়িত বলে জানায় গোপালগঞ্জ পুলিশ।