ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে জাতীয় সংসদ নির্বাচন: সিইসি

- আপডেট সময় : ১০:৫০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
- / 90
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি প্রথমার্ধে হবে। ইনশাল্লাহ।’ আজ (শনিবার, ৯ আগস্ট) রংপুরে বিভাগের আট জেলার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমে এ কথা জানান তিনি।
এসময় আসন্ন নির্বাচনে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে দেয়া হবে না বলেও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার। এর আগে সকালে রংপুর বিভাগের নির্বাচন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে কোনো কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে আশেপাশের একাধিক কেন্দ্র কিংবা সে আসনের নির্বাচন স্থগিতের হুঁশিয়ারিও দেন সিইসি।
সিইসি বলেন, ‘আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগই দেয়া হবে না। যদি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে ভোট বানচালের চেষ্টা করা হয়, তাহলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয় হবে।’
তিনি বলেন, ‘কোনো এক কনস্টিটিউয়েন্সি (নির্বাচনী এলাকা) গোলমাল করলে; একটা কেন্দ্র, দুইটা কেন্দ্র, একাধিক কেন্দ্র—পুরো কনস্টিটিউয়েন্সি বাতিল করে দেবো। যদি বেশি গোলমাল দেখি পুরো কনস্টিটিউয়েন্সি বাতিল করে দেবো। তোমার ভোট বন্ধ, পরে আরেকদিন নেবো। সেই আইনই করছি এখন আমরা।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা উদ্যোগ নেবো, সচেতনতা কর্মসূচি সিরিয়াসলি নেবো এবং তাদেরও আশ্বস্ত করবো যে, একটা ফেয়ার ইলেকশন আমরা আয়োজন করবো।’
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে রাজনীতির মাঠে যখন ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলোর বিভক্তি তখন আগস্টের প্রথম সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল নিয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসে কমিশন থেকে। জানানো হয়, ডিসেম্বরে তফসিল আর রমজানের আগেই ভোটের বার্তা। এবার ভোটের দিনক্ষণ জানালেন স্বয়ং প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক বার্তা দেওয়ার পর মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে প্রথম মতবিনিময়ে যোগ দিতে রংপুর সফরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার। বিভাগের আট জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকের সঙ্গে বৈঠক শেষে সিইসি জানান বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে ২০২৬ এর ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে।
এসময় আগামী নির্বাচনে কোনো পক্ষকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সুযোগ দেয়া হবে না জানিয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বিভিন্ন অনুশাসন দেন সিইসি। এর আগে সকালে রংপুর বিভাগের নির্বাচনী কর্মকর্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় বৈঠক করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। সেখানে সিইসি বলেন, কোনো কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা হলে বন্ধ হতে পারে পুরো আসনের ভোট। নির্বাচনে জনবল নিয়োগসহ লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরির মাধ্যমে নির্বাচনকে উৎসবমুখর করতে সচেতনতা কার্যক্রম হাতে নেবার পরিকল্পনার কথাও জানান প্রধান নির্বাচন কমিশনার।
এ-সময় কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় নতুন নিয়ম যেমন, নারী পুরুষের আলাদা কিংবা বয়ঃভিত্তিক সারির পৃথক লাইনের বিষয়ও উঠে আসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এর বক্তব্যে। চাওয়া হয় গণমাধ্যমের সহযোগিতাও।




















