বাংলাদেশ জেল— এর নতুন নাম ‘কারেকশন সার্ভিস বাংলাদেশ’

- আপডেট সময় : ০৪:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৫
- / 67
বাংলাদেশ জেলের নাম পরিবর্তন করে ‘কারেকশন সার্ভিস বাংলাদেশ’ রাখার উদ্যোগ নিয়েছে কারা অধিদপ্তর। কারাগারকে বন্দিদের জন্য কেবল আটকে রাখার জায়গা নয় বরং সংশোধন ও পুনর্বাসনের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
আজ (মঙ্গলবার, ২৬ আগস্ট) কারা সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কারা মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ মো. মোতাহের হোসেন।
একইসঙ্গে যুগোপযোগী আইন প্রণয়ন, জনবল বৃদ্ধি, অবকাঠামো উন্নয়ন ও বন্দিদের সেবার মান বাড়াতে নানা পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানান কারা মহাপরিদর্শক।
তিনি জানান, কারাগার কেন্দ্রীক সংশোধনের ওপর গুরুত্বারোপের জন্যই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে সরকার নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে উল্লেখ করে মো. মোতাহের হোসেন জানান, বাকি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা চাই কারাগার হোক একটি কারেকশনাল সার্ভিস। এখানে যারা আসবে তারা শুধুই বন্দি হয়ে ফিরে যাবে না, বরং সংশোধিত মানুষ হিসেবে সমাজে ফিরতে পারবে।’
তিনি জানান, এ জন্য কারেকশন সার্ভিস অ্যাক্ট ২০২৫-এর খসড়া তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে কারা ব্যবস্থাপনায় আধুনিকতা আনা হবে, যা আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সৈয়দ মোহাম্মদ মোতাহের হোসেন বলেন, ‘কারাগারে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এছাড়া মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগে ডিবিশন ক্যান্সেল করার মতো ঘটনা ঘটেছে।’
মাদকসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে গত এক বছরে ৩৪ জনকে চাকরিচ্যুত, ৪৪০ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়েছে কারা অধিদপ্তর।
কারাগারের অতিরিক্ত চাপ সামাল দিতে এরইমধ্যে দুটি কেন্দ্রীয় কারাগার ও চারটি জেলা কারাগার চালু করা হয়েছে।
এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কারা মহাপরিদর্শক বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন কারাগারে এখন পর্যন্ত ১৬৩ জন ডিভিশনপ্রাপ্ত বন্দি রয়েছে।’
তিনি জানান, ৫ আগস্টের আগে ও পরে জেল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া বন্দিদের মধ্যে এখনও নয়জন জঙ্গী, মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ৭৯ আসামিসহ ৭০০ জনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।





















