ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 180
196

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমার মা খালেদা জিয়া কারও মনে যদি কোনো কষ্ট দিয়ে থাকেন, তাহলে ক্ষমা করে দেবেন। আর আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’ আজ (বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় খালেদা জিয়ার জানাজা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মরহুমা খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান। আমি আজ এখানে উপস্থিত সব ভাইয়েরা এবং বোনেরা যারা উপস্থিত আছেন; মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় যদি আপনাদের কারও কাছ থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করবো, ইনশা আল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে উনি জীবিত থাকা অবস্থায় উনার কোনো ব্যবহারে, উনার কোনো কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন; তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দোয়া করবেন আল্লাহ তা’য়ালা যেন তাকে বেহেশত দান করেন।’

মানিক মিয়াতে জায়গা সংকট; মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে

বেলা তিনটা পর্যন্ত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, বিজয় সরণি, আগারগাঁও, খামারবাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজা পরিচালনা করেন। বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে জানাজা শেষ হয়।

জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিকও জানাজায় অংশ নেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রথম সারিতে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জানাজাকে ঘিরে জাতীয় সংসদের মূল মাঠ ও আশপাশের পুরো এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। একদিকে বিজয় সরণী ও আগারগাঁও, অন্যদিকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত মানুষের ঢল নামে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করার কথা রয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

মায়ের জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৩:৩২:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
196

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা সম্পন্ন হওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমার মা খালেদা জিয়া কারও মনে যদি কোনো কষ্ট দিয়ে থাকেন, তাহলে ক্ষমা করে দেবেন। আর আমার মায়ের জন্য দোয়া করবেন।’ আজ (বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টায় খালেদা জিয়ার জানাজা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ও মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখো মানুষের ঢল নামে।

বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মরহুমা খালেদা জিয়ার বড় সন্তান তারেক রহমান। আমি আজ এখানে উপস্থিত সব ভাইয়েরা এবং বোনেরা যারা উপস্থিত আছেন; মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকা অবস্থায় যদি আপনাদের কারও কাছ থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকেন, দয়া করে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করবো, ইনশা আল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘একইসঙ্গে উনি জীবিত থাকা অবস্থায় উনার কোনো ব্যবহারে, উনার কোনো কথায় যদি কেউ আঘাত পেয়ে থাকেন; তাহলে মরহুমার পক্ষ থেকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। দোয়া করবেন আল্লাহ তা’য়ালা যেন তাকে বেহেশত দান করেন।’

মানিক মিয়াতে জায়গা সংকট; মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে

বেলা তিনটা পর্যন্ত মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, বিজয় সরণি, আগারগাঁও, খামারবাড়ি, কারওয়ান বাজার, ফার্মগেট, শাহবাগ ও মোহাম্মদপুর এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। বিকেল ৩টা ৩ মিনিটে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে খালেদা জিয়ার জানাজা শুরু হয়। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক জানাজা পরিচালনা করেন। বিকেল ৩টা ৫ মিনিটে জানাজা শেষ হয়।

জানাজায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন, প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টারা, তিন বাহিনীর প্রধানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পাকিস্তানের পার্লামেন্টের স্পিকার সরদার আইয়াজ সাদিকও জানাজায় অংশ নেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি প্রথম সারিতে ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

জানাজাকে ঘিরে জাতীয় সংসদের মূল মাঠ ও আশপাশের পুরো এলাকা কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়। একদিকে বিজয় সরণী ও আগারগাঁও, অন্যদিকে কারওয়ান বাজার পর্যন্ত মানুষের ঢল নামে। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধির পাশে খালেদা জিয়াকে দাফন করার কথা রয়েছে।