ঢাকা ১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ১১:১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
  • / 84
103

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই শুভক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের, যাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।” প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা-বোন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় স্বাধীনতার চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগায়। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য। প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতির ধারাকে বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সহনশীলতা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

বার্তার শেষাংশে তিনি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

মহান স্বাধীনতা দিবসে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

আপডেট সময় : ১১:১২:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬
103

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশের সর্বস্তরের জনগণ এবং প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেলে এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২৬ মার্চ আমাদের জাতীয় জীবনের এক গৌরবময় ও ঐতিহাসিক দিন। এই শুভক্ষণে আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর শহীদদের, যাঁদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ।” প্রধানমন্ত্রী মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিত মা-বোন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সকলের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বার্তায় স্বাধীনতার চেতনাকে নতুন করে উজ্জীবিত করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতা দিবস আমাদের জীবনে সাহস, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেমের প্রেরণা জোগায়। একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য। প্রিয় মাতৃভূমির অগ্রগতির ধারাকে বেগবান করতে জাতীয় ঐক্য ও পারস্পরিক সহনশীলতা অপরিহার্য।

প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে দেশের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করি। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।”

বার্তার শেষাংশে তিনি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশজুড়ে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সর্বাঙ্গীণ সফলতা কামনা করেন।