ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বড় পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা: পরবর্তী শুনানি ২০ নভেম্বর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪
  • / 143

বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর খালেদা জিয়াসহ বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জানান আজ (মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর) আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের কথা ছিল। ৭ জন আসামির পক্ষে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার অন্যতম ২ আসামি বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ ও আলতাফ হোসেন চৌধুরি। শুনানির জন্য প্রস্তুত ছিল দুদকের আইনজীবীও। কিন্তু বিচারক মামলা শুনতে আগামী ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলা সম্পর্কে আইনজীবী জানান, সব নিয়ম মেনেই বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরণে টেন্ডার কাজ সম্পন্ন করা হয়। শুধু রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ওয়ান ইলেভেন সরকার বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মামলা করে।

পরবর্তীকে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই আদালতকে প্রভাবিত করে মামলা থেকে তার নাম প্রত্যাহার করিয়ে নেয়। আর প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে খালেদা জিয়া ও বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতকে ব্যবহার করতে থাকে। যার কারণে দীর্ঘ দিনেও মামলার অভিযোগ গঠন করতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

বড় পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা: পরবর্তী শুনানি ২০ নভেম্বর

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি পিছিয়েছে। আগামী ২০ নভেম্বর খালেদা জিয়াসহ বাকি আসামিদের বিরুদ্ধে ফের অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য করেছেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জানান আজ (মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর) আসামিদের উপস্থিতিতে অভিযোগ গঠনের কথা ছিল। ৭ জন আসামির পক্ষে মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়।

এসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন মামলার অন্যতম ২ আসামি বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ ও আলতাফ হোসেন চৌধুরি। শুনানির জন্য প্রস্তুত ছিল দুদকের আইনজীবীও। কিন্তু বিচারক মামলা শুনতে আগামী ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।

মামলা সম্পর্কে আইনজীবী জানান, সব নিয়ম মেনেই বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরণে টেন্ডার কাজ সম্পন্ন করা হয়। শুধু রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে ওয়ান ইলেভেন সরকার বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মামলা করে।

পরবর্তীকে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই আদালতকে প্রভাবিত করে মামলা থেকে তার নাম প্রত্যাহার করিয়ে নেয়। আর প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে খালেদা জিয়া ও বিএনপির নেতাদের বিরুদ্ধে আদালতকে ব্যবহার করতে থাকে। যার কারণে দীর্ঘ দিনেও মামলার অভিযোগ গঠন করতে পারেনি।