ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লোকসানে থাকা স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে: নৌ পরিবহন উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 68

যে সকল স্থলবন্দর দিয়ে তেমনভাবে আমদানি-রপ্তানি হয় না, লোকসানে চলছে, সেসব বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি এই কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘২৪টি বন্দরের মধ্যে ৮টি বন্দর বন্ধ করতে চেয়েছিলাম। এরই মধ্যে ৪টি বন্ধ করতে পেরেছি। বাকি ২০টি বন্দর রয়েছে এর মধ্যে কার্যকর ১২ থেকে ১৪ টির বেশি নেই। এসব বন্দরকে আধুনিকায়ন করে কি হবে এক পয়সা যেখানে আয় নেই। সারা বছর যেখানে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয় অথচ খরচ তো হচ্ছে এর চেয়ে অনেক বেশি। যেগুলো কার্যকরি ও বড় বন্দর সেগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া আরও কিছু নদীবন্দর রয়েছে এগুলোকেও আমরা এভাবে বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

এর আগে তিনি বন্দরের সভাকক্ষে কাস্টমস বন্দর কতৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা বন্দরের রাস্তাঘাট সংস্কার, ওয়ারহাউজ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বন্দরে যেসব জটিলতা রয়েছে সেগুলো তুলে ধরেন ও এর সমাধান চান উপদেষ্টার কাছে। পরে তিনি বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, কাস্টমসের রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অরুন কুমারসহ অনেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

লোকসানে থাকা স্থলবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে: নৌ পরিবহন উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৩:৩৪:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৫

যে সকল স্থলবন্দর দিয়ে তেমনভাবে আমদানি-রপ্তানি হয় না, লোকসানে চলছে, সেসব বন্দর বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ শনিবার দুপুরে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর পরিদর্শনে এসে তিনি এই কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, ‘২৪টি বন্দরের মধ্যে ৮টি বন্দর বন্ধ করতে চেয়েছিলাম। এরই মধ্যে ৪টি বন্ধ করতে পেরেছি। বাকি ২০টি বন্দর রয়েছে এর মধ্যে কার্যকর ১২ থেকে ১৪ টির বেশি নেই। এসব বন্দরকে আধুনিকায়ন করে কি হবে এক পয়সা যেখানে আয় নেই। সারা বছর যেখানে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা আয় হয় অথচ খরচ তো হচ্ছে এর চেয়ে অনেক বেশি। যেগুলো কার্যকরি ও বড় বন্দর সেগুলোকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া আরও কিছু নদীবন্দর রয়েছে এগুলোকেও আমরা এভাবে বেসরকারি খাতে পরিচালনার জন্য দেওয়ার চেষ্টা করছি।’

এর আগে তিনি বন্দরের সভাকক্ষে কাস্টমস বন্দর কতৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় ব্যবসায়ীরা বন্দরের রাস্তাঘাট সংস্কার, ওয়ারহাউজ, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বন্দরে যেসব জটিলতা রয়েছে সেগুলো তুলে ধরেন ও এর সমাধান চান উপদেষ্টার কাছে। পরে তিনি বন্দর ও কাস্টমসের বিভিন্ন অবকাঠামো পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মানজারুল মান্নান, কাস্টমসের রংপুর বিভাগীয় কমিশনার অরুন কুমারসহ অনেকে।