ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সমাজকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখলে ধর্মীয় বিভাজন হবে না : টুকু

অনলাইন ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 107

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সমাজকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখলে ধর্মীয় বিভেদ-বিভাজন হবে না এবং সকল ধর্মের মানুষ এক সঙ্গে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আগেকার দিনে পাড়া-মহল্লার প্রতিবেশীরা এক সঙ্গে বসবাস করতো এবং এক সঙ্গে সকল ধর্মীয় উৎসবে মেতে উঠতো। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ-বিভাজন ছিল না। রাজনীতির কারণেই সমাজে বিভাজনের সৃষ্টি হয়। সমাজকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখলে ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি হবে না।’

আজ শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জের এসএস রোডের মাওলানা ভাসানী কলেজের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যুগাবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রার আগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অতীতে পতিত আওয়ামী লীগই ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করেছে। আওয়ামী লীগের সকলের চরিত্র একই রকম। স্বাধীনতার পরে আওয়ামী লীগ সিরাজগঞ্জের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরের ৯৫ ভাগ জোরপূর্বক দখল করে এবং বিরোধী মত পোষণকারীদের হত্যা করে।’

গত বছরের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে টুকু বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের সনাতন সম্প্রদায়ের সদস্যদের ভয়হীনভাবে বসবাসের আশ্বাস দিয়েছিলাম।’ তিনি ঐক্যবদ্ধ সিরাজগঞ্জ গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেন, যেখানে সকল সম্প্রদায় মর্যাদা ও সাহসের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কল্যাণ সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি অমর কৃষ্ণদাস।

নিউজটি শেয়ার করুন

সমাজকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখলে ধর্মীয় বিভাজন হবে না : টুকু

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, সমাজকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখলে ধর্মীয় বিভেদ-বিভাজন হবে না এবং সকল ধর্মের মানুষ এক সঙ্গে সুখে-শান্তিতে বসবাস করতে পারবে।

তিনি আরো বলেন, ‘আগেকার দিনে পাড়া-মহল্লার প্রতিবেশীরা এক সঙ্গে বসবাস করতো এবং এক সঙ্গে সকল ধর্মীয় উৎসবে মেতে উঠতো। হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টানের মধ্যে কোনো বিভেদ-বিভাজন ছিল না। রাজনীতির কারণেই সমাজে বিভাজনের সৃষ্টি হয়। সমাজকে রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখলে ধর্মীয় বিভাজন সৃষ্টি হবে না।’

আজ শনিবার সকালে সিরাজগঞ্জের এসএস রোডের মাওলানা ভাসানী কলেজের সামনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যুগাবতার ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রার আগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘অতীতে পতিত আওয়ামী লীগই ধর্মের নামে বিভাজন সৃষ্টি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করেছে। আওয়ামী লীগের সকলের চরিত্র একই রকম। স্বাধীনতার পরে আওয়ামী লীগ সিরাজগঞ্জের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘরের ৯৫ ভাগ জোরপূর্বক দখল করে এবং বিরোধী মত পোষণকারীদের হত্যা করে।’

গত বছরের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে টুকু বলেন, ‘সিরাজগঞ্জের সনাতন সম্প্রদায়ের সদস্যদের ভয়হীনভাবে বসবাসের আশ্বাস দিয়েছিলাম।’ তিনি ঐক্যবদ্ধ সিরাজগঞ্জ গড়ে তোলার আশা প্রকাশ করেন, যেখানে সকল সম্প্রদায় মর্যাদা ও সাহসের সঙ্গে বসবাস করতে পারবে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জন্মাষ্টমী উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কল্যাণ সাহা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদুর রহমান বাচ্চু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন জেলা বিএনপির সহ সভাপতি অমর কৃষ্ণদাস।