ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আলোচনার মাধ্যমেই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা উচিত: জার্মানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • আপডেট সময় : ০৪:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 40

ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিরা দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের জন্য আলোচনা না করা পর্যন্ত, জার্মানি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে না। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্রাক্কালে জার্মানি একথা জানিয়েছে।

রোববার অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডা ও পর্তুগাল ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফ্রান্সও এই অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিপাইনে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বাড়ছে

এই স্বীকৃতির লক্ষ্য হল— গাজায় ইসরাইলের অভিযানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। ইসরাইলের এই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং সেখানকার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইসরাইলের মিত্রদের কাছ থেকেও এই হামরার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল বলেন, ‘একটি আলোচনার মাধ্যমে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান হল সেই পথ, যা ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদেরকে শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের সুযোগ করে দিতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, জার্মানির জন্য, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি প্রক্রিয়ার শেষেই আসবে। তবে এই প্রক্রিয়াটি এখনই শুরু হওয়া উচিত।

নিউজটি শেয়ার করুন

আলোচনার মাধ্যমেই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা উচিত: জার্মানি

আপডেট সময় : ০৪:০৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিরা দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধানের জন্য আলোচনা না করা পর্যন্ত, জার্মানি ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেবে না। ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের প্রাক্কালে জার্মানি একথা জানিয়েছে।

রোববার অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডা ও পর্তুগাল ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। ফ্রান্সও এই অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফিলিপাইনে দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেপ্তারের সংখ্যা বাড়ছে

এই স্বীকৃতির লক্ষ্য হল— গাজায় ইসরাইলের অভিযানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। ইসরাইলের এই অভিযানে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং সেখানকার বেশিরভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে।

ইসরাইলের মিত্রদের কাছ থেকেও এই হামরার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার সময় জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল বলেন, ‘একটি আলোচনার মাধ্যমে দ্বি-রাষ্ট্রীয় সমাধান হল সেই পথ, যা ইসরাইলি ও ফিলিস্তিনিদেরকে শান্তি, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের সুযোগ করে দিতে পারে।’

তিনি আরো বলেন, জার্মানির জন্য, ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি প্রক্রিয়ার শেষেই আসবে। তবে এই প্রক্রিয়াটি এখনই শুরু হওয়া উচিত।