ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জয়ার ২৭ বছর পুরোনো ছবি ফাঁস, বয়স লুকিয়েছেন চিরযৌবনা?

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 53

নায়িকাদের বয়স নিয়ে ‘ঢাক ঢাক গুড় গুড়’ বরাবরের। এই তো সেদিন বলিউড তারকা মালাইকা আরোরার ৫০তম জন্মদিন নিয়ে কত কাণ্ডই না ঘটল। এবার আলোচনার কেন্দ্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা জয়া আহসান। এমনিতে জয়ার বয়স বাড়ে না। তিনি চিরযৌবনা। তারুণ্য ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী। কিন্তু জয়ার আসল বয়স কত?

জয়ার বয়স বিতর্ক নতুন নয়। একটা সময় উইকিপিডিয়ায় উল্লেখ ছিল জয়ার জন্ম ১৯৭২ সালের ১লা জুলাই। জয়া জানিয়েছিলেন সেই তথ্য ভুল। নায়িকার হিসাবে তাঁর জন্ম ১৯৮৩ সালের ১লা জুলাই। ২০১৯ সালের এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ‘৩৭ বছরের একদিনও বেশি নয়’। সেই হিসাবে অভিনেত্রীর বর্তমান বয়স ৪৬ কিংবা ৪৭।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে জয়ার বিবাহ পূর্ববতী একটি ছবি। যখন জয়া আহসান নন, ছিলেন জয়া মাসউদ। হ্যাঁ, জয়ার প্রাক্তন স্বামীর পদবি আহসান। ডিভোর্স হলেও প্রাক্তনের পদবি নামের পাশ থেকে সরাননি অভিনেত্রী। সেই সাদা কালো ছবিতে বাঙালি সাজে দেখা মিলল জয়ার। পরনে শাড়ি, ছিমছাম গয়না। চুলে খোঁপা। সেই ছবিটির সাল স্পষ্ট নয়, তবে তা ১৯৯৮ সালের আগের সময়কার তা নিশ্চিত জয়ার নামের পাশে মাসউদ দেখা যাওয়ায়। জয়া সেই সময় জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ২০ বছর।

মাদক থেকে পরিত্রাণের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম খেলাধুলা : বাণিজ্য উপদেষ্টা

এক নেটিজেন লেখেন, ‘এইখানেও বয়স কমাইছিল। তখন কমপক্ষে ২৭-২৮ ছিল। সাজ্জাদ শরিফের স্ত্রী শাওন আপার ক্লাসমেট তিনি। সে হিসাবে ৫৩’। আরেকজন লেখেন, ‘৮৩ তে জন্ম আর ৯৮ তে বিয়ে? চাইল্ড ম্যারেজ?’ হ্যাঁ, জয়ার হিসাব মতো চললে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বিয়ে সেরেছিলেন তিনি।

একজন লিখেছেন, উনি আমার মামাতো বোনের সাথে ইডেন থেকে ১৯৯৭ সালে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছেন। আমার বোনের জন্ম-১৯৭৩ সাল। ওনার জন্মসাল তাইই হওয়ার কথা। যদি ২ বছর বাদও দেওয়া হয়, তাতেও ৫০ ক্রস করেছেন। ওনার বয়স লুকানোর দরকার ছিল না, বা উল্লেখ করারই দরকার নেই। উল্লেখ যেহেতু করেছেন, তাই বললাম। একই অডিটরিয়ামে একই সাথে আমিও অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি। আমার কাজিন আর উনি ম্যানেজমেন্ট-এ, আমার ইকোনোমিক্স ছিল।

বয়স বিতর্কে জয়াও অতীতে জানিয়েছেন,‘আমি প্রথম ও শেষবারের মতো সবার উদ্দেশে বলতে চাই: বয়স নয়। একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজে।’ জয়া বারবার প্রমাণ করে দিয়েছেন, বয়স তাঁর কাছে শুধুই একটা সংখ্যা। নিজের অভিনয় গুণ আর পরিশ্রমের জেরে তিনি দুই বাংলার ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

জয়ার এই পুরনো সাক্ষাৎকারের আরও একটি জিনিস দেখে অবাক সকলে। সেখানে জয়া পাঁচ বছরে ডিপ্লোমা করেছেন সঙ্গীতে। গায়িকা হিসাবেও যে দক্ষ জয়া, তা জানতেন না অনেকেই।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

জয়ার ২৭ বছর পুরোনো ছবি ফাঁস, বয়স লুকিয়েছেন চিরযৌবনা?

আপডেট সময় : ০৩:৫০:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

নায়িকাদের বয়স নিয়ে ‘ঢাক ঢাক গুড় গুড়’ বরাবরের। এই তো সেদিন বলিউড তারকা মালাইকা আরোরার ৫০তম জন্মদিন নিয়ে কত কাণ্ডই না ঘটল। এবার আলোচনার কেন্দ্রে দুই বাংলার জনপ্রিয় নায়িকা জয়া আহসান। এমনিতে জয়ার বয়স বাড়ে না। তিনি চিরযৌবনা। তারুণ্য ধরে রেখেছেন অভিনেত্রী। কিন্তু জয়ার আসল বয়স কত?

জয়ার বয়স বিতর্ক নতুন নয়। একটা সময় উইকিপিডিয়ায় উল্লেখ ছিল জয়ার জন্ম ১৯৭২ সালের ১লা জুলাই। জয়া জানিয়েছিলেন সেই তথ্য ভুল। নায়িকার হিসাবে তাঁর জন্ম ১৯৮৩ সালের ১লা জুলাই। ২০১৯ সালের এক সাক্ষাৎকারে জয়া আহসান জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ‘৩৭ বছরের একদিনও বেশি নয়’। সেই হিসাবে অভিনেত্রীর বর্তমান বয়স ৪৬ কিংবা ৪৭।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে জয়ার বিবাহ পূর্ববতী একটি ছবি। যখন জয়া আহসান নন, ছিলেন জয়া মাসউদ। হ্যাঁ, জয়ার প্রাক্তন স্বামীর পদবি আহসান। ডিভোর্স হলেও প্রাক্তনের পদবি নামের পাশ থেকে সরাননি অভিনেত্রী। সেই সাদা কালো ছবিতে বাঙালি সাজে দেখা মিলল জয়ার। পরনে শাড়ি, ছিমছাম গয়না। চুলে খোঁপা। সেই ছবিটির সাল স্পষ্ট নয়, তবে তা ১৯৯৮ সালের আগের সময়কার তা নিশ্চিত জয়ার নামের পাশে মাসউদ দেখা যাওয়ায়। জয়া সেই সময় জানিয়েছিলেন তাঁর বয়স ২০ বছর।

মাদক থেকে পরিত্রাণের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম খেলাধুলা : বাণিজ্য উপদেষ্টা

এক নেটিজেন লেখেন, ‘এইখানেও বয়স কমাইছিল। তখন কমপক্ষে ২৭-২৮ ছিল। সাজ্জাদ শরিফের স্ত্রী শাওন আপার ক্লাসমেট তিনি। সে হিসাবে ৫৩’। আরেকজন লেখেন, ‘৮৩ তে জন্ম আর ৯৮ তে বিয়ে? চাইল্ড ম্যারেজ?’ হ্যাঁ, জয়ার হিসাব মতো চললে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই বিয়ে সেরেছিলেন তিনি।

একজন লিখেছেন, উনি আমার মামাতো বোনের সাথে ইডেন থেকে ১৯৯৭ সালে অনার্স পরীক্ষা দিয়েছেন। আমার বোনের জন্ম-১৯৭৩ সাল। ওনার জন্মসাল তাইই হওয়ার কথা। যদি ২ বছর বাদও দেওয়া হয়, তাতেও ৫০ ক্রস করেছেন। ওনার বয়স লুকানোর দরকার ছিল না, বা উল্লেখ করারই দরকার নেই। উল্লেখ যেহেতু করেছেন, তাই বললাম। একই অডিটরিয়ামে একই সাথে আমিও অনার্স পরীক্ষা দিয়েছি। আমার কাজিন আর উনি ম্যানেজমেন্ট-এ, আমার ইকোনোমিক্স ছিল।

বয়স বিতর্কে জয়াও অতীতে জানিয়েছেন,‘আমি প্রথম ও শেষবারের মতো সবার উদ্দেশে বলতে চাই: বয়স নয়। একজন শিল্পীর প্রকৃত পরিচয় হওয়া উচিত তার কাজে।’ জয়া বারবার প্রমাণ করে দিয়েছেন, বয়স তাঁর কাছে শুধুই একটা সংখ্যা। নিজের অভিনয় গুণ আর পরিশ্রমের জেরে তিনি দুই বাংলার ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

জয়ার এই পুরনো সাক্ষাৎকারের আরও একটি জিনিস দেখে অবাক সকলে। সেখানে জয়া পাঁচ বছরে ডিপ্লোমা করেছেন সঙ্গীতে। গায়িকা হিসাবেও যে দক্ষ জয়া, তা জানতেন না অনেকেই।