মাদুরোর সঙ্গে সম্ভাব্য আলোচনার ইঙ্গিত ট্রম্পের
- আপডেট সময় : ০১:৩৬:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
- / 34
মার্কিন সামরিক বাহিনীর আঞ্চলিক তৎপরতায় দেশগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে তিনি ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে পারেন। ওয়াশিংটন থেকে বার্তাসংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
ওয়াশিংটন মাদুরো পরিচালিত একটি কার্টেলকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করার পরিকল্পনা আরো জোরদার করার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন।
ট্রাম্প ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা হয়তো মাদুরোর সঙ্গে কিছু আলোচনা করতে পারি। আমরা দেখব সেটা কীভাবে করা যায়।’ তিনি বলেন, ‘তারা কথা বলতে চাইবে।’
রোববারের শুরুতে, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে যে, তারা কার্টেল দে লস সোলস (কার্টেল অফ দ্য সানস)-কে একটি বিদেশী সন্ত্রাসী সংগঠন এফটিও-র অন্তভূক্ত করবে। তারা একে মাদুরোর নেতৃত্বের বলে দাবি করে।
বিমান প্রতিরক্ষা সহায়তা চাইতে ফ্রান্সে জেলেনস্কি
ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিশাল মার্কিন সামরিক অভিযানের পর, ২৪ নভেম্বর থেকে এই ঘোষণা কার্যকর করা হবে।
ওয়াশিংটন বলেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার রোধ করার জন্য এর প্রয়োজন রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ট্রেন দে আরাগুয়া ও সিনালোয়া ও এফটিও-মনোনীত অন্যান্য কার্টেল ও কার্টেল দে লস সোলস আমাদের গোলার্ধ জুড়ে সন্ত্রাসী সহিংসতার পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মাদক পাচারের জন্য দায়ী।’
তবে কারাকাস দাবি করেছে, এটি আসলে তাদের বামপন্থী প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে উৎখাত করার একটি চক্রান্ত, যাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একজন অবৈধ নেতা ও মাদক সম্রাট বলে দাবি করে করে। তবে মাদুরো এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
রুবিও রোববার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠিত অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন যে ‘কার্টেল দে লস সোলসের নেতৃত্বে মাদুরো ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা রয়েছেন, যারা ভেনিজুয়েলার সামরিক, গোয়েন্দা, আইনসভা ও বিচার বিভাগকে দুর্নীতিগ্রস্ত করেছেন।’
তিনি আরও বলেন ,‘মাদুরো বা তার সহযোগীরা কেউই ভেনিজুয়েলার বৈধ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন না।’
অন্যান্য ল্যাটিন আমেরিকান অপরাধ গোষ্ঠীগুলোকে ‘বস্তুগত সহায়তা’ প্রদানের অভিযোগে বিশেষভাবে মনোনীত বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সংস্থা হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করার পর জুলাই মাসে মার্কিন ট্রেজারি কার্টেল দে লস সোলসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করে।
রুবিও রোববার আরো বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ‘আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষার জন্য এবং মাদক-সন্ত্রাসীদের তহবিল ও সম্পদ প্রত্যাখ্যান করার জন্য সমস্ত উপলব্ধ সরঞ্জাম ব্যবহার চালিয়ে যাবে।’
এএফপি’র প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে, সেপ্টেম্বরে পাচার বিরোধী সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে, মার্কিন বাহিনী আন্তর্জাতিক জলসীমায় মাদক পরিবহনের অভিযোগে কমপক্ষে ৮৩ জনকে হত্যা করেছে।
ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ২০টিরও বেশি হামলায় লক্ষ্যবস্তু করা ওই ব্যক্তিরা পাচারকারী
ছিল বলে দাবি করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তবে এর কোনো বিবরণ বা প্রমাণ প্রকাশ করেনি।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব মৃত্যু বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমান, এমনকি যদি তা পরিচিত পাচারকারীদের লক্ষ্য করেও করা হয়।
রোববার মার্কিন সেনাবাহিনীও নিশ্চিত করেছে যে ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড বিমানবাহী জাহাজটি এখন চোরাচালান বিরোধী অভিযানের জন্য (যাকে ‘অপারেশন সাউদার্ন স্পিয়ার’ বলা হয়) দুটি গাইডেড-ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী এবং অন্যান্য সহায়ক জাহাজ ও বিমানসহ ক্যারিবিয়ান সাগরে রয়েছে।
পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সর্বশেষ মার্কিন হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার একদিন পর এই আগমনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।






















Houthi attempts to target the Kingdom will be met with unprecedented force: Coalition